“ধর্ষন চেষ্টার ঘটনায় শিশুকে উদ্ধার না করে আপরাধীকে না ধরে ভিডিও করে প্রচারের প্রতিবাদে টঙ্গিবাড়ী প্রেসক্লাবের সংবাদ সম্মেলন”
মুন্সিগঞ্জ টঙ্গীবাড়ী প্রতিনিধি-হারুন রশীদ শেখ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে এক শিশুকে ধর্ষন চেষ্টার ভিডিও ঘটনায় শিশুকে উদ্ধার না করে আপরাধীকে না ধরে ভিডিও করে প্রচারের প্রতিবাদে টঙ্গিবাড়ী প্রেসক্লাবের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারী) বিকাল ৬ টার দিকে টঙ্গিবাড়ী প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন টঙ্গিবাড়ী প্রেসক্লাব সভাপতি মোজাফ্ফর হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয় আমরা টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত দুঃখের সাথে সকলের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবকে জড়িয়ে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
ওই ভিডিওতে আমাদের প্রেসক্লাবের সাবেক পরিচ্ছন্ন কর্মী নুরুল ইসলাম ওরফে ফচ্চর আলীকে আমাদের প্রেসক্লাব কক্ষে এক শিশুর সহিত আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়। কতিপয় ব্যাক্তিরা মোবাইলে ভিডিটি ধারণ করেছেন তবে যারা ভিডিওটি ধারণ করেছেন তারা একটি নির্যাতিত শিশুকে রক্ষা না করে এবং অভিযুক্তকে আটক না করে ভিডিও ধারণ করে অভিযুক্তর ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ না নিয়ে আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন। তারা ভিডিও না করে অভিযুক্তকে আটক করে তৎক্ষণাৎ থানাকে অবগত করতে পারতেন।
এছাড়া টঙ্গীবাড়ি প্রেসক্লাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে প্রেসক্লাব কতৃপক্ষকেড় অবগত করতে পারতেন।
অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া একটি চক্রান্ত এবং একটি শিশু ও তার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার
বহিঃপ্রকাশ।
তবে ইতি মধ্যে আসামী গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে নুরুল ইসলাম ওরফে ফচ্চর আলী এক সময় আমাদের প্রেসক্লাবের পরিচ্ছন্ন কর্মী থাকলেও তাকে আমরা বিগত কয়েক মাস আগেই প্রেসক্লাবে সিগারেট পান করার অপরাধে প্রেসক্লাবের পরিচ্ছন্ন কর্মী চাকরি হতে অব্যাহতি দেই
কিন্তু তারপরেও কবে কখন কিভাবে ভিডিও ধারন করা হলো এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলো বিষয়টি দেখে আমরা বিস্মিত হয়েছি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর টঙ্গীবাড়ি থানা পুলিশ নুরুল ইসলাম ওরফে ফচ্চর আলীকে আটক করিয়া আইনের আওতায় আনায় টঙ্গীবাড়ী থানা পুলিশ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছি
সেই সাথে যে বা যাহারা এ ধরনের আইন বহির্ভূত ভিডিও মুঠোফোনে ধারণ করেছে
এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেছে তদন্ত করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। একটি নির্যাতিত শিশু ও তার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেও প্রতিপন্ন এবং সামাজিকভাবে মান সম্মান খুন্ন করেছে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
একই সাথে আমাদের সুণামধন্য টঙ্গীবাড়ি প্রেসক্লাব ও প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করে সাংবাদিকদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করায় আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এ সময় টঙ্গিবাড়ী প্রেসক্লাবে সাধারণ সম্পাদক রনি সেখসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply