1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার” বালিয়াকান্দিতে ৩৪৫ পিস ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুইজন আটক” কালীপূজা ঘিরে নেত্রকোনায় পুলিশের সর্বাত্মক নিরাপত্তা প্রস্তুতি” “১০ দিন পর অপহরণকারীদের কবল থেকে ফিরলেন কলেজশিক্ষার্থী রিদওয়ান লটারি নিয়ে প্রশ্নের পাহাড়, রংপুরের গঙ্গাচড়া থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ উপসহকারী প্রকৌশলী” ‎ লালপুর বাজারের রাস্তা-ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর আল্টিমেটাম, না সরলে চলবে অভিযান” আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন। বাঙালি জাতির আদি ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব- প্রাক্তন মন্ত্রী নাজিম উদ্দীন  সাংবাদিক আলিফ হত্যা: ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র, ৯০ দিনে বিচার দাবি”

“মরিচ চাষে কৃষক মির আহমেদের সাফল্য: এক একরে আয় ৮ লাখ টাকা”

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৪ জন দেখেছেন
Oplus_16908288

“মরিচ চাষে কৃষক মির আহমেদের সাফল্য: এক একরে আয় ৮ লাখ টাকা”

হামিদুল হক,নাইক্ষ্যছড়ি প্রতিনিধি

বান্দরবান কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ফাক্রিকাটা গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় মরিচ চাষে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন স্থানীয় কৃষক মির আহমেদ। তার সফলতা এখন এলাকাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
ফাক্রিকাটা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বাকখালি নদীর তীরবর্তী ফাক্রিকাটা চরে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে পলিমাটি জমে জমি অত্যন্ত উর্বর হয়ে ওঠে। এই উর্বরতাকেই কাজে লাগিয়ে মির আহমেদ এক একর জমিতে মরিচ চাষ করে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন।
কৃষক মির আহমেদ জানান, চলতি মৌসুমে তিনি এক একর জমিতে মরিচ চাষ করে প্রায় ৮ লাখ টাকা আয় করেছেন। এ চাষে তার মোট খরচ হয়েছে প্রায় ২ লাখ টাকা। তিনি আরও বলেন, “আমি প্রতি কেজি মরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি করেছি। ফলন খুব ভালো হওয়ায় লাভও বেশি হয়েছে।”
তিনি এলাকার অন্যান্য কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তামাক চাষের পরিবর্তে মরিচ চাষ করলে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব। তাই সবাইকে মরিচ চাষে আগ্রহী হওয়ার আহ্বান জানাই।”
এ বিষয়ে কৃষি অফিসের কৃষি কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, “আমি মির আহমেদের মরিচ ক্ষেত পরিদর্শন করেছি। তার ক্ষেতের ফলন অত্যন্ত ভালো হয়েছে। এটি এই এলাকার কৃষকদের জন্য একটি অনুকরণীয় উদাহরণ।”
স্থানীয় কৃষি বিভাগ মনে করছে, সঠিক পরিকল্পনা ও আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে মরিচ চাষ এ অঞ্চলের কৃষকদের জন্য একটি লাভজনক বিকল্প ফসল হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির