1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার” বালিয়াকান্দিতে ৩৪৫ পিস ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুইজন আটক” কালীপূজা ঘিরে নেত্রকোনায় পুলিশের সর্বাত্মক নিরাপত্তা প্রস্তুতি” “১০ দিন পর অপহরণকারীদের কবল থেকে ফিরলেন কলেজশিক্ষার্থী রিদওয়ান লটারি নিয়ে প্রশ্নের পাহাড়, রংপুরের গঙ্গাচড়া থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ উপসহকারী প্রকৌশলী” ‎ লালপুর বাজারের রাস্তা-ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর আল্টিমেটাম, না সরলে চলবে অভিযান” আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন। বাঙালি জাতির আদি ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব- প্রাক্তন মন্ত্রী নাজিম উদ্দীন  সাংবাদিক আলিফ হত্যা: ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র, ৯০ দিনে বিচার দাবি”

“কৃষকের হাসিই আমার ভালো বাসা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম”

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৯২ জন দেখেছেন

“কৃষকের হাসিই আমার ভালো বাসা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম”

হামিদুল হক মার্সাল,রামু প্রতিনিধি

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে কৃষকদের লাভজনক ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম। দিন-রাত কৃষকদের পাশে থেকে তিনি মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন, যার ফলে স্বল্প সময়ে অধিক লাভজনক ফসল উৎপাদনে আগ্রহী হয়ে উঠছেন স্থানীয় কৃষকরা।
জানা গেছে, জহিরুল ইসলাম নিয়মিত মাঠে গিয়ে কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে আধুনিক কৃষি পদ্ধতি, ফসলের পরিচর্যা ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে পরামর্শ দিচ্ছেন। তার এই উদ্যোগে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সবজি ও অন্যান্য লাভজনক ফসলের চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে।
কথা হয় কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বড়জাংছড়ি গ্রামের কৃষক মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে। তিনি জানান, ৩০ শতক জমিতে তিত করলা চাষ করেছেন এবং এ বছর ফলন অত্যন্ত ভালো হয়েছে। তিনি আশা করছেন, বাজারে ভালো দাম পেলে উল্লেখযোগ্য লাভ করতে পারবেন।
মোস্তাক আহমেদ বলেন, “কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী চাষ করেছি। নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ায় ফসল ভালো হয়েছে। আমরা অনেক উপকৃত হচ্ছি।”
এ বিষয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, “কৃষকদের লাভজনক ফসল চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষতিকর তামাক চাষ নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। কৃষকদের স্বাবলম্বী করে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
স্থানীয়রা মনে করছেন, কৃষি বিভাগের এমন তৎপরতা অব্যাহত থাকলে এ অঞ্চলের কৃষিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির