“জেলা প্রশাসক প্রদত্ত অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপে দিশেহারা মৎস্য কর্মকর্তা। পদ ছাড়তে চান ইউপি প্রশাসকের।”
“(পলাশ পাল,জেলা প্রতিনিধি)” নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত জনাব, মোহাম্মদ কামরুল হাসান। সেই সাথে তিনি দীর্ঘদিন যাবত আসমা ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক।এই অবস্থায় তিনি নিজ কার্যালয়ের দাপ্তরিক সার্বিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ইউপি প্রশাসক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ভাবে অনেকটাই বিপর্যস্ত। তাই অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রদত্ত ইউপি প্রশাসকের পদ থেকে
অব্যাহতি চেয়ে ইতিমধ্যে আবেদন করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তা। মোহাম্মদ কামরুল হাসান তিনি তার আবেদনে অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে সময় দিতে পারছেন না বলে উল্লেখ করেছেন।
প্রশাসনিক বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে নিয়ে জানা যায় যে, মোঃ কামরুল হাসান বর্তমানে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত আসমা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন । তবে এই পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে গত ১১ মে ২০২৬ সোমবার নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।
আবেদন পত্রে তিনি উল্লেখ করেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশ ক্রমে আসমা ইউনিয়নের প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে অতিরিক্ত এ দায়িত্ব পালনের কারণে তার উপর অর্পিত নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনেও সময় দিতে পারছেন না বলেও তিনি তার আবেদনে উল্লেখ করেছেন।
আবেদনে আরও বলা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা তার মূল দায়িত্বের বাইরে হওয়ায় দীর্ঘদিন এ দায়িত্ব বহন করা তার জন্য ক্রমাগত কঠিন হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় প্রশাসকের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।
সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জনাব,কামরুল হাসান এর বিষয়ে বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ জিনিয়া জামান বলেন এ অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপে অব্যাহতি চাওয়ার বিষয়টি আমি অবগত আছি অতি দ্রুতই উত্থাপিত বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
Leave a Reply