1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন। বাঙালি জাতির আদি ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব- প্রাক্তন মন্ত্রী নাজিম উদ্দীন  সাংবাদিক আলিফ হত্যা: ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র, ৯০ দিনে বিচার দাবি” রিদোয়ানকে উদ্ধারের দাবিতে মানিকগঞ্জে মানববন্ধন, মহাসড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি। শিক্ষকতা পেশা শেষে মানবসেবার ব্রত: ডিএইচএমএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মাস্টার মোক্তার হোসেন” বারহাট্টায় সীমানা বিরোধে বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ছোট ভাই নিহত সারাদেশে দ্বিতীয়! জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬ অর্জন করলেন লালপুরের রায়হান” নেত্রকোনায় পাঁচ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস ৩০ পরীক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ নয়, জেলার সামগ্রিক পাসের হারও ৫০ শতাংশের নিচে।  ঘোড়াঘাটে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে র‌্যালি চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়

বাড়ছে করতোয়ার নদীর তীর ঘেঁষে বাসিন্দাদের পানি, আতঙ্কে আশ্রয়ণের শতাধিক পরিবার ।”

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
  • ৯৯ জন দেখেছেন

“বাড়ছে করতোয়ার নদীর তীর ঘেঁষে বাসিন্দাদের পানি, আতঙ্কে আশ্রয়ণের শতাধিক পরিবার ।”
“মোঃ কায়সার হাবীব পাপ্পু।
ঘোড়াঘাট ,,দিনাজপুর ,,প্রতিনিধি:”

একদিন যে ঘর ছিল নতুন জীবনের স্বপ্ন, আজ সেই ঘরই পরিণত হয়েছে আতঙ্কের ঠিকানায়। মাথা গোঁজার নিরাপদ আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো এখন করতোয়া নদীর ভাঙনের মুখে। চোখের সামনে নদী গিলে খাচ্ছে পাড়ের মাটি। প্রতিদিন একটু একটু করে ভাঙন এগিয়ে আসছে। অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে । দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার করতোয়া নদীতীরবর্তী বাসিন্দাদের।

উপজেলার বুলাকিপুর ইউনিয়নের কুলানন্দনপুর নাপিতপাড়া এলাকায় দেখা দিয়েছে এমন পরিস্থিতি। বাসিন্দাদের চোখে এখন একটাই প্রশ্ন, কখন নদীতে বিলীন হবে তাদের শেষ আশ্রয়টুকু।

স্থানীয়রা জানান, টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে করতোয়া নদীর পানি বেড়ে যাওয়ার পর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। নদীর তীর ধসে পানি আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাছাকাছি চলে এসেছে। এরই মধ্যে প্রকল্পের কয়েকটি ঘর ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের ভাঙনে এসব ঘর নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা আদরী রাণী বলেন, ‘আমরা খুব কষ্টে আছি। আমরা গরিব মানুষ। আমাদের কোনো জায়গা নেই। এখানে আরও ঘর ছিল, সেগুলো ভেঙে নদীতে চলে গেছে। ১৫ থেকে ২০ দিন ধরে ভাঙন খুব বেড়ে গেছে। আমাদের জায়গা কেনার সামর্থ্য নেই। ছোট বাচ্চারা কখন নদীতে পড়ে যায়, সেই চিন্তায় থাকি। রান্না করে খাবার খেতেও পারছি না। খুব চিন্তায় আছি।’

আরেক বাসিন্দা সুরাইয়া বেগম বলেন, ‘নদীভাঙনের কারণে আমরা ঘরবাড়ি খুলে সরাতেও পারিনি। আমাদের টাকা-পয়সা নেই। নতুন করে ঘর করতে পারছি না, জায়গাও কিনতে পারছি না। রাত হলেই ভয় লাগে, কখন ঘর নিয়ে নদীতে চলে যায়।’

নদীতীরের বাসিন্দা আদরী রাণী বলেন, ‘বৃষ্টি শুরু হলেই বুক ধড়ফড় করে। অনেক কষ্টের পর সরকার আমাদের থাকার জন্য এই ঘর দিয়েছে। এই ঘরই এখন হারানোর ভয় হচ্ছে। রাতে ঘুমাতে পারি না। কখন নদী সব নিয়ে যায়, সেই আতঙ্কে থাকি। আমাদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।’

সরেজমিন দেখা যায়, নদীর পাড়ের বড় বড় অংশ ধসে পড়ছে। কোথাও কোথাও মাটিতে ফাটল দেখা দিয়েছে। শিশুদের চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আতঙ্কে অনেকে রাতে জেগে থাকছেন। ভাঙন অব্যাহত থাকলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশাপাশি আশপাশের শতাধিক পরিবারও গৃহহীন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে করতোয়া নদীর তীর সংরক্ষণে জিওব্যাগ ফেলা, স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প গ্রহণ এবং ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন বলেন, ‘নদীর তীর ভেঙে যাচ্ছে। অনেক দিন ধরেই ভাঙন চলছে। আমরা সরেজমিন পরিস্থিতি দেখতে এসেছি। এরই মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বালুর বস্তা ফেলে ব্লকের মতো করে নদীভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা চলছে।’

করতোয়ার ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত উদ্যোগ চান আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা। তাদের আশঙ্কা, সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আবারও নদীর স্রোতে হারিয়ে যাবে শতাধিক বাড়িঘর। ঠিকানাহীন হয়ে পড়বে বহু পরিবার।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির