1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সারাদেশে দ্বিতীয়! জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬ অর্জন করলেন লালপুরের রায়হান” নেত্রকোনায় পাঁচ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস ৩০ পরীক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ নয়, জেলার সামগ্রিক পাসের হারও ৫০ শতাংশের নিচে।  ঘোড়াঘাটে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে র‌্যালি চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় “দক্ষ যুবসমাজ গড়ার প্রত্যয়ে খাগড়াছড়িতে জাবারাংয়ের উদ্যোগে জাতীয় যুব দিবস পালন খাগড়াছড়িতে উদ্যোক্তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত” খাগড়াছড়িতে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন” খাগড়াছড়ির আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটিতে এমপির প্রতিনিধি অংগ্য মারমা” “মনোহরদীতে খতমে নবুওয়াত মহাসম্মেলনে ইমাম-উলামা-ত্বলাবা পরিষদের ফ্রি শরবত বিতরণ” এইচএসসি ফলাফল: ব্যর্থ কারা—শিক্ষার্থী, নাকি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা? নতুন নেতৃত্বে বৌদ্ধ যুব সংঘ, ১৫ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

ঘোড়াঘাটে জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বৃদ্ধ আব্দুল কুদ্দুস প্রয়োজন সরকারের সাহায্য ও সহযোগিতা ।

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১১৮ জন দেখেছেন

ঘোড়াঘাটে জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বৃদ্ধ আব্দুল কুদ্দুস প্রয়োজন সরকারের সাহায্য ও সহযোগিতা ।

মোঃ কায়সার হাবীব পাপ্পু ‌।

ঘোড়াঘাট দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌর শহরের কাদিমনগর গ্রামে চরম দারিদ্র্য ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন আব্দুল কুদ্দুস ও তার স্ত্রী আহিরা বেগম নামের এক প্রবীণ দম্পতি। মাথা গোঁজার শেষ সম্বল জরাজীর্ণ বসতঘরটি বৃষ্টির কারণে ভেঙে পড়ার চরম সংকটে পড়েছেন তারা। একটু বৃষ্টি নামলেই পরিব্বার নিয়ে তাঁদের গাদাগাদি করে ভিজে রাত কাটাতে হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চরম অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন আব্দুল কুদ্দুস। এর ওপর তার জরাজীর্ণ বসতঘরটির চাল ভেঙে যাওযায় বর্ষার মৌসুমে দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। একটু বৃষ্টি হলেই ঘরের ভেতর পানি পড়তে থাকে এবং ঘরের কোনো কোণাই শুকনো থাকে না। ফলে পরিবার-পারিজন নিয়ে সারারাত ভিজে ভিজে চরম কষ্টে রাত কাটাতে হয় তাদের

কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রবীণ আব্দুল কুদ্দুস বলেন, বৃষ্টি শুরম্ন হলেই আমাদের চোখের জল আব আকাশের পানি একাকার হয়ে যায়। ঘরে একবিন্দুও শুকনো জায়গা থাকে না। সারারাত ভিজে ভিজে বসে থেকে কষ্টে রাত কাটাতে হয়। একদিকে পেটে খাবার জোটে না, অন্যদিকে এই ঘর মেরামতের সামর্থ্যও আমার নেই। দিনে না। খেয়ে আর রাতে ভিজে আমাদের জীবন মৃত্যুর মুখে পতিত হচ্ছে

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে এই প্রবীণ দম্পতির ভাঙা ঘরের জায়গায় একটি নিরাপদ ও টেকসই আবাসন নিশ্চিত করা না হলে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। সরকারের সংশিল্পষ্ট প্রশাসন ও বিত্তবানদের পক্ষ থেকে এই অসহায় দম্পতির জীবন বাঁচাতে প্রমত এগিয়ে আসার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির