সদর হাসপাতালে সেলাইয়ের পর ক্ষ*ত-স্থা*নে পচন। একটি বেসরকারি হাসপাতালে অ*স্ত্রো*প*চারে বের হলো বাঁশের দুই টুকরো।
রিপন কান্তি ধর,জেলা প্রতিনিধি মৌলভীবাজার।
: মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে (সদর হাসপাতালের রেজিস্ট্রেশন নম্বর-১১৬৪৬৪, তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) কাটা জ*খ*মে*র চিকিৎসা নেওয়ার পর ক্ষতস্থানে পচন ও তীব্র ব্যথা দেখা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে অ*স্ত্রো*প*চা*রের সময় ক্ষতস্থান থেকে বাঁশের দুটি টুকরো বের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রোগীর স্বজনরা।
রোগীর নাম অঞ্জনা দত্ত(৪০)। তিনি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৭নং চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের মাতারকাপন এলাকার বাসিন্দা।
জানা যায়, র*ক্তা*ক্ত কাটা জ*খ*ম নিয়ে অঞ্জনা দত্ত গত ১১ সেপ্টেম্বর-২০২৬ইং মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তার ক্ষতস্থানে সেলাই করা হয়। পরে ১৪ সেপ্টেম্বর তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয় এবং তিন দিন পর ড্রেসিং করার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে স্বজনদের দাবি।
তবে বাড়িতে যাওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হয়ে সেলাই করা ক্ষ*ত*স্থানে পচন সৃষ্টি হয় এবং ব্যথা বাড়তে থাকে। পরে স্বজনরা তাকে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।
পরবর্তীতে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে অঞ্জনা দত্তকে মৌলভীবাজার শহরের এ্যাপোলো স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অধ্যাপক ডা. এস. এম. গোলাম রহমান,অধ্যাপক (সার্জারি), অবসরপ্রাপ্ত সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর তত্ত্বাবধানে তার অ*স্ত্রো*প*চা*র করা হয়। অ*স্ত্রো*প*চা*রে*র সময় ক্ষ*ত*স্থা*ন থেকে বাঁশের দুটি টুকরো বের করা হয়েছে বলে রোগীর স্বজনদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এ ঘটনায় রোগীর স্বজনদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কা*টা জ*খ*মে*র চিকিৎসার সময় ক্ষ*ত*স্থা-নে*র ভেতরে যদি বাঁশের কোনো অংশ থেকে থাকে, তাহলে সেটি পরীক্ষা-নিরীক্ষায় শনাক্ত না করে কীভাবে সেলাই করা হলো? বিষয়টি চিকিৎসাগত অবহেলা বা অন্য কোনো কারণে ঘটেছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে এ বিষয়ে সদর হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এই ব্যাপারে রোগির আত্মীয় স্বজন আইনি বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে,
সাধারণ জনগনের সাথে আলাপকালে জানা যায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে অনেক সময় বিভিন্ন জটিলতা বিষয় গুলো বিভিন্ন গণমাধ্যম ও হাসপাতাল কতৃপক্ষকে অবগত করলে ও তা আবার পুনরাবৃত্তি ঘটে,
রোগীর আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী এইরকম বড় ধরনের ঘটনার জন্য সুনির্দিষ্ট তদন্ত জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনে সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
Leave a Reply