“সুন্দরগঞ্জে অসুস্থ গরু জবাইয়ের পর অন্তত ১১ জনের রহস্যজনক রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা”
ফিরোজ উপজেলা প্রতিনিধি সুন্দরগঞ্জ গাইবান্ধা।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অসুস্থ গরু জবাইয়ের পর মাংস কাটার কাজে নিয়োজিত অন্তত ১১ জন ব্যক্তি রহস্যজনক রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের শরীরে ফোড়া, ফোসকা, ঘা ও জ্বর দেখা দেওয়ায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সচেতন মহলের ধারণা, এটি অ্যানথ্রাক্স ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ হতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৪নং বেলকা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের কিশামত সদর গ্রামে গত শনিবার মাহাবুর রহমান নামের এক ব্যক্তির অসুস্থ গরু জবাই করা হয়। জবাইয়ের কাজে অংশ নেওয়া মৌলভীসহ ১১ জন ব্যক্তি পরবর্তীতে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
অসুস্থরা হলেন মৃত নইম আলীর ছেলে মোজাফফর মিয়া (৫১), মৃত আজিজল হকের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৬), মাহাবুর রহমানের ছেলে খতিব উদ্দিন (৩০),হোসেন আলীর ছেলে মারুফ মিয়া (১৪),শফিকুল ইসলামের ছেলে আব্দুল কুদ্দুস (১৫),হোসেন আলীর ছেলে নুরুন্নবী নিয়াও (১৩),মজিবুর রহমান মন্টু মেম্বারের ছেলে হাসান মিয়া (১৫),মৃত মোকসেদুলের ছেলে গোলজার রহমান (২৫)ও মিঠু মিয়া (১৬),মৃত খমির উদ্দিনের ছেলে মোজাহার আলী (৬০) এবং তার ছেলে ফরিদুল ইসলাম (২৩)।
এছাড়া ওই ইউনিয়নের পশ্চিম বেলকা ও জহুরুলের মোর এলাকায় একই উপসর্গে আরও ৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আক্রান্ত মারুফ মিয়া জানান,আমরা গরু জবাইয়ের পর মাংস কাটতে যাই। এরপর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফোড়া ওঠে, হাতে ফোসকা পড়ে ও জ্বর আসে।
মৌলভী মোজাফফর মিয়া বলেন,আমার অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও গরুর মালিকের অনুরোধে অসুস্থ গরুটি জবাই করি। জবাইয়ের সময় গরুটির শরীরে জ্বর ছিল। তখন রক্তের ফোটা আমার চোখে লাগে, পরে সেই জায়গায় ফোসকা পড়ে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিপ্লব কুমার দে বলেন,স্থানীয়দের বর্ণনা শুনে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যায়, গরুটি এনথ্রাক্স (তড়কা) রোগে আক্রান্ত ছিল।
Leave a Reply