1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার” বালিয়াকান্দিতে ৩৪৫ পিস ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুইজন আটক” কালীপূজা ঘিরে নেত্রকোনায় পুলিশের সর্বাত্মক নিরাপত্তা প্রস্তুতি” “১০ দিন পর অপহরণকারীদের কবল থেকে ফিরলেন কলেজশিক্ষার্থী রিদওয়ান লটারি নিয়ে প্রশ্নের পাহাড়, রংপুরের গঙ্গাচড়া থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ উপসহকারী প্রকৌশলী” ‎ লালপুর বাজারের রাস্তা-ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর আল্টিমেটাম, না সরলে চলবে অভিযান” আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন। বাঙালি জাতির আদি ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব- প্রাক্তন মন্ত্রী নাজিম উদ্দীন  সাংবাদিক আলিফ হত্যা: ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র, ৯০ দিনে বিচার দাবি”

“অসহায় মায়ের দুঃখ ভাগ করে নিলেন ইউএনও মাসুম বিল্লাহ”

  • আপডেট : শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪৭ জন দেখেছেন

“অসহায় মায়ের দুঃখ ভাগ করে নিলেন ইউএনও মাসুম বিল্লাহ”

ইস্রাফিল খান, গোপালগঞ্জ (জেলা) প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় সন্তানহারা মা আছিয়া বেগমের বাড়িতে ছুটে গেলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাসুম বিল্লাহ।
শনিবার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার তারাশী গ্রামে শোকাহত আছিয়া বেগমের পরিবারের খোঁজখবর নিতে যান তিনি। এসময় আছিয়া বেগমের হাতে নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন ইউএনও মাসুম বিল্লাহ।

এর একদিন আগে, শুক্রবার বিকেলে মায়ের সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে আছিয়া বেগমের ১৪ বছর বয়সী ছেলে জোনায়েদ শেখ। ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া নামিয়ে আনে।

জানা যায়, আছিয়া বেগমের স্বামী মৃদুল শেখ দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস করেন। ফলে সরকারিভাবে পাওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে দুই সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন তিনি। বড় ছেলের এমন মৃত্যুর পর বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন এই অসহায় মা।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে আছিয়া বেগম বলেন, “দুই সন্তানকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছিলাম। অনেক কষ্টে ওদের মানুষ করছিলাম। বড় ছেলে এভাবে আমাকে ফাঁকি দিয়ে চলে যাবে—কখনো ভাবিনি। ইউএনও স্যার আমার মতো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, এজন্য তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আমার মতো অভাগা মা যেন আর কেউ না হয়।”

ইউএনও মাসুম বিল্লাহ বলেন, “বড় ছেলের মৃত্যুর পর আছিয়া বেগম ভেঙে পড়েছেন। সমাজের সবারই উচিত প্রতিবেশীদের খোঁজ নেওয়া—যাতে ভবিষ্যতে শিশু জোনায়েদের মতো এমন মর্মান্তিক ঘটনা আর না ঘটে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁর জন্য নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে।”

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির