”শেষ ঠিকানা সংগঠনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন”
তন্ময়,পটুয়াখালীবিঃওপ্রঃবিশ্ববিদ্যালয়।
ঝালকাঠির নবগ্রাম ইউনিয়নের পূর্ব পপমহল, নুরানী মাদ্রাসা সংলগ্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠন “শেষ ঠিকানা সংগঠন”-এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১ অক্টোবর ২০২৫ থেকে ২ অক্টোবর ২০২৬ ইং পর্যন্ত এক বছরের জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
এই সভায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ ফেরদৌস খান পনির।
সভায় সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা ও মানবসেবামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ২৬ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যরা হলেন,
সভাপতি মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আবদুল্লাহ আল ফাহাদ, সহ-সভাপতি মোঃ রাকিব হোসেন মৃধা ও মিনহাজুল আবেদীন , সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফেরদৌস খান পনির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো:মান্না হাওলাদার ও মিজানুর রহমান আরিয়ান, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাকিল তালুকদার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান খান, কোষাধ্যক্ষ তানবির হাসান জয়, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম খান।
সভাপতির বক্তব্যে মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন,
“শেষ ঠিকানা সংগঠন প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজে অসহায়, দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আমরা চাই, এই সংগঠনটি মানবসেবার মাধ্যমে এলাকার যুব সমাজকে ইতিবাচক কাজে যুক্ত করুক। এখন পর্যন্ত আমরা ৫০ জনের বেশী মৃত মানুষের পরিবার কে সহযোগীতা করেছি। সংগঠনের প্রতিটি সদস্য যেন দায়িত্ব ও সততার সঙ্গে কাজ করে সমাজে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে — এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যে মোঃ ফেরদৌস খান পনির বলেন,
“শেষ ঠিকানা সংগঠন সমাজের মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতায় আজ এই পর্যায়ে এসেছে। আমরা যারা অসহায় মৃত মানুষ যাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই তাদের পাশে থাকবে শেষ ঠিকানা সংগঠন। ইতোমধ্যে আমরা ৫০ জনের বেশী মানুষ কে সহযোগিতা করেছি।ভবিষ্যতে এই দ্বারা অব্যাহত থাকবে।। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই, যাতে সমাজে প্রকৃত পরিবর্তন আনা যায়। আগামীর দিনগুলোতে সংগঠনের সামাজিক, মানবিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে। সবাই পাশে থাকলে ‘শেষ ঠিকানা সংগঠন’ মানবতার এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠবে।”
উল্লেখ্য ‘শেষ ঠিকানা সংগঠন’ ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সমাজে একতা, মানবিক মূল্যবোধ ও শেষ জীবনে মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় নিয়ে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি স্থানীয় পর্যায়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দান-সাহায্য কার্যক্রম,ধর্মীয় ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি মৃত ব্যক্তির পারিবার দের সহযোগীতা সহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।
নবগঠিত কমিটির সদস্যরা একবছরের মধ্যে সংগঠনের কার্যক্রম আরও প্রসারিত ও সুসংগঠিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
Leave a Reply