“সংস্কৃতির ভবিষ্যৎ: পরিবর্তন ও বিকাশের পথে”
শেখ কনক হাসান,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সংস্কৃতি হারানোর পথে, তবে নতুন সংস্কৃতি যদি আমাদের ভালো লাগে তা গ্রহণ করা যেতেই পারে।আসলে আমরা কেন জানি নিজেদের সীমানা থেকে বের হতেই পারি না। কিন্তু আমরা চাইলে, যদি আমাদের মন সায় দেয় আমরা নতুন ধারা তথা ভাব, ভংগিমা গ্রহন করতেই পারি। দেখুন আমার বক্তব্য স্পষ্ট, সংস্কৃতির মৃত্যু নেই তবে তা যে অপরিবর্তনীয় এই কথা কিন্তু কেওই বলছেন না। আমাদের উচিত দেশের মানুষ যেভাবে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে সেই ধারাকেই চর্চা করা। হাজার বছরের ইতিহাসের কথা বলে পরিবেশকে অস্থির না করে, চাইলে আপনি চর্চা করতে পারেন নতুনকে, যেখানে কারো বাধা দেওয়ার অধিকার নেই। তবে নতুন ধারাকে বাধা দেওয়া না গেলেও সমালোচনা করা যায়।এক সময় গ্রামে নৌকা বাইচ হতো কিন্তু এখন নেই, যা সংস্কৃতির মৃত্যু নয় বরং সংস্কৃতির বিকাশ। কারণটি আপনি গভীর ভাবে ভাবতে পারেন, চিন্তা করতেই বলছিনা, চাইলে এর বিপক্ষে দাঁড়িয়ে যেতেই পারেন, তবে নৌকা বাইচ না করে মানুষেরা এখন গাড়ি নিয়ে রেইস দিবে এটা আমার কাছে মনে হয় সংস্কৃতির বিকাশ! তবে এখানে একটি ছোট্ট কথা যুক্ত হতে পারে।আপনি সংস্কৃতির বিকাশের বুলি দিয়ে সংস্কৃতিকে ধ্বংস করতে পারবেন না। বলতে চাচ্ছিলাম সংস্কৃতির বিকাশ মানেই ধ্বংস নয়।প্রচলিত ধারাকে নতুন নামকরণ করে প্রচার-প্রকাশ এক প্রকারের অস্পষ্টতা। নাম পরিবর্তন করলেই এখানে অসত্যতা দেখা যায় কিন্তু নতুন থিম যুক্ত করলে সংস্কৃতির বিকাশ বলাতে দোষ দেখি না । জলে ৩০% দুধ দিলেও এটা জল, যদিও বাহ্যিক ভাবে দুধ মনে হয় । মনে রাখবেন থিম এমন যুক্ত করুন যা কি না পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে । দুধে-জলে মিশাতে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বা অধিকাংশেই দুধ ব্যবহার করুন, তাহলে আমরাও আপনার সুরে গলা মিলাবো।
Leave a Reply