1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার” বালিয়াকান্দিতে ৩৪৫ পিস ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুইজন আটক” কালীপূজা ঘিরে নেত্রকোনায় পুলিশের সর্বাত্মক নিরাপত্তা প্রস্তুতি” “১০ দিন পর অপহরণকারীদের কবল থেকে ফিরলেন কলেজশিক্ষার্থী রিদওয়ান লটারি নিয়ে প্রশ্নের পাহাড়, রংপুরের গঙ্গাচড়া থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ উপসহকারী প্রকৌশলী” ‎ লালপুর বাজারের রাস্তা-ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর আল্টিমেটাম, না সরলে চলবে অভিযান” আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন। বাঙালি জাতির আদি ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব- প্রাক্তন মন্ত্রী নাজিম উদ্দীন  সাংবাদিক আলিফ হত্যা: ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র, ৯০ দিনে বিচার দাবি”

“গঙ্গাচড়ায় দলিল থাকলেও, জমি ভোগদখলে বাঁধা দেওয়ায় বিপাকে ক্রেতা ইউসুফ আলী”

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৭০ জন দেখেছেন

“গঙ্গাচড়ায় দলিল থাকলেও, জমি ভোগদখলে বাঁধা দেওয়ায় বিপাকে ক্রেতা ইউসুফ আলী”

শহীদুল ইসলাম শহীদ রংপুর প্রতিনিধি

রংপুরের গঙ্গাচড়ার আলমবিদিতর ইউনিয়নের মন্ডলের হাট চওড়াপাড়া এলাকার ইউসুফ আলীর ক্রয়কৃত ৩০ শতক জমি নিয়ে চরম ভোভোগান্তিতে রয়েছে ক্রেতা ইউসুফ আলী ।ক্রয়সূত্রে মালিকানার ভিত্তিতে জমি ভোগদখল করলেও, পরে বিক্রেতা ওই জমি বিক্রি করে নাই দাবী করে জমি চাষাবাদে বাঁধা দেওয়ায় চরম বিপাকে পরেছেন তিনি।

আলমবিদিতর চওড়াপাড় এলাকার মৃত নূর উদ্দীনের ছেলে মো: আনছার আলী (মাস্টার) গত ০১/০৬/১৯৯৪ তারিখে ১৮৯০ নং দলীলে জেএল নং – ৬৫, খতিয়ান ১০৫৪ এবং দাগ নং ৫৫৫৯ উল্লেখ করে ৭৮ শতক জমি একই এলাকার মৃত আব্দুল ওয়াহেদ সরকারের ছেলে মো: আব্দুর রহিমের নিকট বিক্রিয় করে।

পরবর্তীতে আব্দুর রহিম ১৭/১০/২০১৭ তারিখে রংপুর মহানগরীর ধাপ কেল্লাবন্দ এলাকার বাসিন্দা মৃত মনির উদ্দীনের ছেলে মো: ইউসুফ আলীর নিকট ৩০ শতক জমি বিক্রি করে। দলীলে উল্লেখ রয়েছে মৌজা – আলমবিদিতর, জেএল নং – ৬৫, সাবেক খতিয়ান নং- ১০৫৪ যাহার বুজরত খতিয়ান নং – ৭৯৩৮ ও ১০৫৪ এবং ডিপি খতিয়ান নং ২৮৮৪,১৫৭১,১৫৯০ ও ৪৮৫। যাহার সাবেক দাগ – ৫৫৫৯ এবং নতুন দাগ – ৮৯৩৫, ৮৯১৭,৮৯৩১,৮৯৩০, ও ৮৯২৫ উল্লেখ রয়েছে।

তবে সার্বিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, আনছার আলী যে দাগ ও খতিয়ান উল্লেখ করে আব্দুর রহিমকে দলীল রেজিষ্ট্রি করে দেয় এবং সাবেক একই দাগ ও খতিয়ান উল্লেখের পাশাপাশি বুজরাত ও ডিপি খতিয়ান এবং সাবেক দাগ ও নতুন দাগ উল্লেখ করে আব্দুর রহিম ইউসুফ আলীর নিকট ৩০ শতক জমি বিক্রি করেছেন ।
তবে লক্ষ্যনীয় বিষয় হলো , আব্দুর রহিম ইউসুফ আলীর নিকট পূর্বে বিক্রিয় করা জমির দাগ এই দলীলে উল্লেখ করেছেন এবং উল্লেখিত কিছু দাগ দলীলে উল্লেখিত খতিয়ান ভুক্ত না হলেও দলীলে উল্লেখ করেছেন। যা একজন সরল বিশ্বাসী মানুষের সাথে প্রতারণারই নামান্তর ।

এমতাবস্থায় আলোচনার ভিত্তিতে আব্দুর রহিম তারই মালিকানাভুক্ত ৮৯২৯ দাগের অন্তর্ভুক্ত ২৭ শতক জমি ইউসুফ আলীকে ভোগদখলের জন্য বঝে দেন এবং ৮৯১৭ দাগে ৩ শতক ভোগদখল বুঝে দেন হঠাৎ করে আব্দুর রহিম ৮৯২৯ দাগে ইউসুফ আলীকে বুঝে দেওয়া ভোগদখলকৃত ২৭ শতক জমি চাষ দিতে বাধা দেয়। ফলে ১৯/১০/২৫ তারিখে সকালে চাষ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আব্দুর রহিম মহামান্য কোর্টে মামলা আনয়ন করে এবং কোর্ট অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিলে ইউসুফ আলীকে চরম বিপদের সম্মুখীন হতে হয়। অথচ দীর্ঘ দিন ধরে ভোগদখলের নিরব স্বাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে ইউসুফ আলীর রোপনকৃত গাছপালা।

সরেজমিনে গিয়ে প্রতিবেশী নুরল হকের ছেলে মিলন মিয়া বলেন, এই জমি দীর্ঘদিন ধরে ইউসুফ আলী ভোগদখল করছে। দলীলে নতুন দাগ ভুল করে দিয়ে এই জমি বিক্রয় করে , এখন ভুল জমি চাষাবাদে বাঁধা প্রদান করে। অথচ অনেক আগেই ইউসুফ আলীর লাগানো গাছপালা জমিতে রয়েছে। পরে আব্দুর রহিম ইউসুফ আলীর নিকট উভয়ের চলাচলার জন্য ওই জমি থেকে ৪ শতক জমি কিনে রাস্তা করেছে।

হেলালী বেগম বলেন, এই জমি রহিমের নিকট ইউসুফ আলী কিনেছেন। পরে আমাদের নিকট ৮/৯ বছর আগে বন্ধক রেখেছেন। আমরাই এই জমি চাষাবাদ করছি।
এবিষয়ে আব্দুর রহিমের সাথে মুটোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি দুই দলীলে ইউসুফের নিকট ৭০ শতক জমি বিক্রয় করেছি। প্রথম দলীলে ৪০ শতক, পরে ৩০ শতক। পরে চার শতক জমি রাস্তার জন্য ইউসুফের কাছ থেকে কিনেছি । ইউসুফকে দাগ অনুপাতে জমি বুঝে দিয়েছি এবং সেভাবে তিনি ভোগও করছেন।
ভুক্তভোগী ইউসুফ আলী বলেন, আব্দুর রহিম পূর্ব মালিকের নিকট হতে যে দাগ ও খতিয়ান মূলে জমি কিনেছেন আমাকেও একই দাগ ও খতিয়ানমূলে আব্দুর রহিম দলিল করে দেয়। দীর্ঘদিন ধরে খাজনাদি পরিশোধ পূর্বক ভোগদখল করছি। আমাকে হঠাৎ জমি চাষাবাদে বাঁধা দেওয়ায় আমি কোর্টে মামলা দায়ের করেছি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির