1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার” বালিয়াকান্দিতে ৩৪৫ পিস ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুইজন আটক” কালীপূজা ঘিরে নেত্রকোনায় পুলিশের সর্বাত্মক নিরাপত্তা প্রস্তুতি” “১০ দিন পর অপহরণকারীদের কবল থেকে ফিরলেন কলেজশিক্ষার্থী রিদওয়ান লটারি নিয়ে প্রশ্নের পাহাড়, রংপুরের গঙ্গাচড়া থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ উপসহকারী প্রকৌশলী” ‎ লালপুর বাজারের রাস্তা-ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর আল্টিমেটাম, না সরলে চলবে অভিযান” আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন। বাঙালি জাতির আদি ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব- প্রাক্তন মন্ত্রী নাজিম উদ্দীন  সাংবাদিক আলিফ হত্যা: ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র, ৯০ দিনে বিচার দাবি”

বিদ্যুৎ বিলের বকেয়ায় বন্ধের মুখে আলেয়া হোসেন কোল্ড স্টোরেজ: ২০ কোটি টাকার আলু নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা”

  • আপডেট : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
  • ৯৭ জন দেখেছেন

“বিদ্যুৎ বিলের বকেয়ায় বন্ধের মুখে আলেয়া হোসেন কোল্ড স্টোরেজ: ২০ কোটি টাকার আলু নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা”

“মুন্সিগঞ্জ টঙ্গীবাড়ী প্রতিনিধি হারুন রশীদ শেখ”

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আউটশাহী ইউনিয়নের শিলিমপুর গ্রামে অবস্থিত আলেয়া হোসেন কোল্ড স্টোরেজ বকেয়া পল্লী বিদ্যুৎ বিলের কারণে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় পড়েছে। এতে হিমাগারে সংরক্ষিত প্রায় ১ লক্ষ ৫৩ হাজার বস্তা আলু নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, সংরক্ষিত আলুর বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় কোল্ড স্টোরেজটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। আর বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে গেলে হিমাগারে থাকা বিপুল পরিমাণ আলু নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন প্রান্তিক কৃষকরা। কারণ অনেকেই ঋণ, ধার-দেনা কিংবা জমি বন্ধক রেখে আলু উৎপাদন করে হিমাগারে সংরক্ষণ করেছেন। এখন সেই আলুর নিরাপত্তা নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।
কৃষকদের অভিযোগ, হিমাগারে আলু জমা দেওয়ার সময় নিরাপদ সংরক্ষণের নিশ্চয়তা দেওয়া হলেও বর্তমান সংকটের বিষয়ে তাদের আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। অন্যদিকে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির দায়ভার নিতে মালিকপক্ষ অনাগ্রহী বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, “হিমাগার বন্ধ হয়ে গেলে শুধু কৃষক নয়, শত শত আলু ব্যবসায়ীও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কোটি কোটি টাকার পণ্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।”
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, কৃষক ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় জেলা প্রশাসন, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ এবং কোল্ড স্টোরেজ মালিকপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। অন্যথায় কয়েক কোটি টাকার কৃষিপণ্য নষ্ট হয়ে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতির সৃষ্টি হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, দ্রুত সমাধান না হলে এটি মুন্সীগঞ্জের কৃষি খাতে বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি করতে পারে এবং হাজারো কৃষক পরিবার মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির