“নেওয়া হলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানান, শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা।”
শিশুটির মা জানান, আলট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষায় ১৩ সপ্তাহের গর্ভধারণের তথ্য পাওয়া যায়। পরে ১৫ মার্চ অন্য একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও একই ধরনের রিপোর্ট আসে। ওই দিনই আইনি পদক্ষেপ নিতে তারা মোহনগঞ্জ থানায় যান। তবে পুলিশ তাদের আদালতে অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেয় বলে দাবি করেন তিনি।
পরে শিশুটির মা বাদী হয়ে গত ২৮ এপ্রিল আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। আদালত মোহনগঞ্জ থানাকে মামলাটি রেকর্ড করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশনার পর ২ মে ধর্ষণের অভিযোগে মামলাটি রেকর্ড করা হয়।
ভুক্তভোগী শিশুটির মা বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। আমার স্বামী বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দিনমজুরের কাম করে। আমি মানুষের বাসায় কাম করে সংসার চালাই। আমার মেয়েটা ছোট মানুষ, কিছুই বোঝে না। তার জীবনটা নষ্ট করে দেওয়া হইছে। মামলা করছি, কিন্তু আসামি এখনো ধরা পড়ে না। আমার মেয়ের যে সর্বনাশ করছে, আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, এজাহারে উল্লেখিত আসামিকে গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করা যায়, দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে বাদী পক্ষ থানায় আসেনি, তারা আদালতে মামলা করেছে। তাদের জিজ্ঞাসা করলে জানিয়েছে, তারা না বুঝতে পেরে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। অথচ প্রথমে পুলিশের কাছে এলে সহজেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হতো।’
পরে একই বিষয়ে ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, মামলা হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত মোহন তালুকদার পলাতক রয়েছে। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
Leave a Reply