1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার” বালিয়াকান্দিতে ৩৪৫ পিস ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুইজন আটক” কালীপূজা ঘিরে নেত্রকোনায় পুলিশের সর্বাত্মক নিরাপত্তা প্রস্তুতি” “১০ দিন পর অপহরণকারীদের কবল থেকে ফিরলেন কলেজশিক্ষার্থী রিদওয়ান লটারি নিয়ে প্রশ্নের পাহাড়, রংপুরের গঙ্গাচড়া থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ উপসহকারী প্রকৌশলী” ‎ লালপুর বাজারের রাস্তা-ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর আল্টিমেটাম, না সরলে চলবে অভিযান” আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন। বাঙালি জাতির আদি ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব- প্রাক্তন মন্ত্রী নাজিম উদ্দীন  সাংবাদিক আলিফ হত্যা: ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র, ৯০ দিনে বিচার দাবি”

“৩৫ বছর ধরে কাঠের ঘানী টেনে সংসার চালাচ্ছেন সিরাজগঞ্জের মমতা খাতুন”

  • আপডেট : রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৬২ জন দেখেছেন

“৩৫ বছর ধরে কাঠের ঘানী টেনে সংসার চালাচ্ছেন সিরাজগঞ্জের মমতা খাতুন”

মো:নাঈম ভূইয়া জেলা প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ।

গরুর পরিবর্তে কাঁধে জোঁয়াল নিয়ে কাঠের ঘানী টেনে দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে সংসার চালাচ্ছেন সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার মমতা খাতুন। অসুস্থ স্বামী, মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে ও ১০ সদস্যের সংসারের ভার কাঁধে নিয়েই খোলা আকাশের নিচে ঘানী টেনে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি।

কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল ইউনিয়নের বড়কুড়া গ্রামের মৃত বাহাদুর আলীর মেয়ে মমতা খাতুনের বিয়ে হয় ভদ্রঘাট ইউনিয়নের আকবর আলীর সঙ্গে। স্বামী অসুস্থ হয়ে ভারী কোনো কাজ করতে না পারায় সংসার টিকিয়ে রাখতে বাধ্য হয়ে তিনি পৈত্রিক পেশা সরিষা ভাঙানোর কাজে নামেন।

মমতা খাতুন জানান, দিনে প্রায় ১০ কেজি সরিষা ভাঙাতে পারেন। এতে দেড় কেজি তেল ও সাড়ে সাত কেজি খৈল পাওয়া যায়। তবে তেল কেজি প্রতি ৪০০ টাকা ও খৈল ৬০ টাকা দরে বিক্রি করলেও সরিষা কেনার খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হয়। উপরন্তু ঘানী টানতে তিনি নিজে, স্বামী ও মেয়ে মিম প্রতিদিন শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, একটি নতুন কাঠের ঘানী তৈরি করতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লাগে। ঘানী রাখার জন্য একটি আধুনিক মানের ঘর এবং টানার জন্য অন্তত দুইটি বলদ গরুর প্রয়োজন। কিন্তু অর্থাভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না।

অসহায় এই পরিবারটি এখনো সরকারের কোনো সহায়তা পায়নি। নেই বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা কিংবা ভিজিডি কার্ড। এমনকি অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার খরচ মেটানোও তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

সরকার ও প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়ে মমতা খাতুন বলেন, “আমরা যদি একটি আধুনিক ঘানীর ঘর, কাঠের ঘানী তৈরির সরঞ্জাম ও বলদ গরু পেতাম, আর সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় কিছু সহায়তা মিলত—তাহলে মানবেতর জীবন থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পেতাম।”

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির