1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
“৮১ কিলোমিটারের রেলপথে মুরাদনগর উপেক্ষিত! স্টেশনের দাবিতে রাজপথে জনতার প্রতিবাদ মানিকগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্ব নিয়ে গোপন তৎপরতা অপচেষ্টা—ক্ষুব্ধ তৃণমূল ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার” বালিয়াকান্দিতে ৩৪৫ পিস ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুইজন আটক” কালীপূজা ঘিরে নেত্রকোনায় পুলিশের সর্বাত্মক নিরাপত্তা প্রস্তুতি” “১০ দিন পর অপহরণকারীদের কবল থেকে ফিরলেন কলেজশিক্ষার্থী রিদওয়ান লটারি নিয়ে প্রশ্নের পাহাড়, রংপুরের গঙ্গাচড়া থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ উপসহকারী প্রকৌশলী” ‎ লালপুর বাজারের রাস্তা-ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর আল্টিমেটাম, না সরলে চলবে অভিযান” আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন।

“খুলনা সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কেডিএ–কেসিসির যৌথ অভিযান”

  • আপডেট : শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৯ জন দেখেছেন

“খুলনা সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কেডিএ–কেসিসির যৌথ অভিযান”

মো: মাহমুদুর রহমান, খুলনা

খুলনা সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর ২০২৫) সকাল ১১টায় ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি), খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)।

মেইনরোড সংলগ্ন দীর্ঘদিনের দখলদারিত্ব এবং নকশাবহির্ভূত স্থাপনাগুলো সরাতে তিন সংস্থার সমন্বয়ে এ অভিযান শুরু হয়। বুলডোজার দিয়ে একে একে ভেঙে ফেলা হয় টিনশেডের পরিবহন কাউন্টারসহ বিভিন্ন দোকানপাট।

ময়ূরী সড়কের ডান পাশে অবস্থিত সোনাডাঙ্গা বাইপাসের কাছে রয়েল পরিবহন, ডলফিন, সেবা গ্রিন ও সৌদিয়া পরিবহনের বেশ কয়েকটি কাউন্টারসহ মোট প্রায় ২৫টি অবৈধ স্থাপনা প্রথম দফায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, অধিকাংশ কাউন্টার মালিক ও দোকানীরা নিজেদের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও অনেকে তা পুরোপুরি করতে পারেননি।

কেডিএ জানায়, ৬০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা উদ্ধারের লক্ষ্যে বহুবার মালিকদের সতর্ক করা হয়েছিল। মাইকিংয়ের মাধ্যমে স্থাপনা সরাতে বলা হলেও দখলদাররা তা উপেক্ষা করে স্থাপনা বজায় রাখেন। তাই বাধ্য হয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অন্যদিকে উচ্ছেদকৃত স্থাপনার মালিকেরা দাবি করেন, অনেকেই নাকি লিজ বা ভাড়ার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে এসব ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। হঠাৎ করে অভিযান শুরু হওয়ায় তারা পর্যাপ্ত সময় পাননি মালামাল সরাতে, ফলে অনেক সম্পদ নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

কেডিএ সূত্র জানায়, এখনো প্রায় ৩০–৩৫টি অবৈধ স্থাপনা অপসারণ বাকি রয়েছে। এগুলো সরানো না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির