1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
“৮১ কিলোমিটারের রেলপথে মুরাদনগর উপেক্ষিত! স্টেশনের দাবিতে রাজপথে জনতার প্রতিবাদ মানিকগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্ব নিয়ে গোপন তৎপরতা অপচেষ্টা—ক্ষুব্ধ তৃণমূল ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার” বালিয়াকান্দিতে ৩৪৫ পিস ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুইজন আটক” কালীপূজা ঘিরে নেত্রকোনায় পুলিশের সর্বাত্মক নিরাপত্তা প্রস্তুতি” “১০ দিন পর অপহরণকারীদের কবল থেকে ফিরলেন কলেজশিক্ষার্থী রিদওয়ান লটারি নিয়ে প্রশ্নের পাহাড়, রংপুরের গঙ্গাচড়া থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ উপসহকারী প্রকৌশলী” ‎ লালপুর বাজারের রাস্তা-ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর আল্টিমেটাম, না সরলে চলবে অভিযান” আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন।

“এক চয়েসের ফাঁদ: পাংশায় শিক্ষকদের কৌশলে বিপাকে শিক্ষার্থীরা”

  • আপডেট : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১৫ জন দেখেছেন

“এক চয়েসের ফাঁদ: পাংশায় শিক্ষকদের কৌশলে বিপাকে শিক্ষার্থীরা”

রবিউল উপজেলা প্রতিনিধি,বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী) 

রাজবাড়ীর পাংশায় ভর্তি আবেদনে শুধু একটি বিদ্যালয় চয়েস দেওয়ার কৌশল অবলম্বন করছেন কিছু শিক্ষক। এতে অনেক শিক্ষার্থীর ভর্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা। তবে শিক্ষকদের পাল্টা অভিযোগ—অভিভাবকরা নিজেরাই বিষয়টি বুঝতে চাইছেন না। শিক্ষা দপ্তর বলছে, একাধিক চয়েস না দেওয়ার এই প্রবণতা শিক্ষার্থীদের ভর্তিকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলছে।

ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি শ্রেণির প্রতিটি শাখায় সর্বোচ্চ ৫৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। সে হিসেবে তিন শাখার একটি বিদ্যালয়ে মোট ১৬৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ রয়েছে। এর বেশি আবেদন হলে লটারির মাধ্যমে অতিরিক্ত শিক্ষার্থীরা বাদ পড়বেন। কিন্তু এসব নিয়ম জানা সত্ত্বেও অনেক শিক্ষক শুধু নিজ বিদ্যালয়কেই একমাত্র চয়েস হিসেবে দিয়ে ভর্তি আবেদন করছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। পাংশা উপজেলা সদরের বিভিন্ন স্কুলে ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে। এতে ১৬৫ জনের বেশি আবেদনকারী হলে অনেক শিক্ষার্থী লটারিতে বাদ পড়ে ভর্তি সুযোগ হারাতে পারেন।

একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষকরা শুধুমাত্র একটি স্কুল চয়েস দিয়ে আবেদন করছেন। ফলে লটারিতে বাদ পড়লে শিক্ষার্থীরা উপজেলা সদরের অন্য কোনো স্কুলেও ভর্তি হতে পারবে না। আবেদনের সময় একাধিক চয়েস দিলে এমন সমস্যা তৈরি হতো না।

পাংশা উপজেলা সদরের তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো—এয়াকুব আলী চৌধুরী বিদ্যাপীঠ, কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমি এবং পাংশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়।

এয়াকুব আলী চৌধুরী বিদ্যাপীঠে ইতোমধ্যে ১৯১ জন আবেদন করেছে, যার বেশিরভাগেই নিজ বিদ্যালয়কে একমাত্র চয়েস দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মো. মোতাহার হোসেন বলেন, “শুধু মেয়েদের ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিষ্ঠান চয়েস দিয়েছি। ছেলেদের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের মতামত অনুযায়ী আবেদন করা হয়েছে।”

এসময় তিনি আরো বলেন- ”চাকরি আছেই আর দুই মাস, কোন ঝামেলায় পড়তে চাই না। নিউজ করলে আমার পক্ষে রেখে যা লেখা লিখো। ”

পাংশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ১২১ জন আবেদন করেছে—সবাই নিজ প্রতিষ্ঠানকেই একমাত্র চয়েস দিয়েছে। প্রধান শিক্ষক সান্তনা দাস বলেন, “আমরা শুধু আমাদের প্রতিষ্ঠান চয়েস দিয়ে আবেদন করেছিলাম। শিক্ষা অফিসার আপত্তি জানানোর পর আমরা নতুন করে আর আবেদন করছি না।”

অন্যদিকে কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমিতে ১১৮টি আবেদন হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মো. শাহাদৎ হোসেন বলেন, “আমরা শুরু থেকেই একাধিক বিদ্যালয় চয়েস দিয়ে আবেদন করছি এবং অভিভাবকদেরও এ বিষয়ে সচেতন করছি।”

পাংশা উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, “তিনটি প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে ইতোমধ্যে মিটিং করা হয়েছে। ভর্তি আবেদন করার সময় অবশ্যই প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় চয়েস দিতে বলা হয়েছে, যাতে লটারিতে বাদ পড়লেও শিক্ষার্থীরা অন্য চয়েসের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারে।”

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির