1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
“৮১ কিলোমিটারের রেলপথে মুরাদনগর উপেক্ষিত! স্টেশনের দাবিতে রাজপথে জনতার প্রতিবাদ মানিকগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্ব নিয়ে গোপন তৎপরতা অপচেষ্টা—ক্ষুব্ধ তৃণমূল ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার” বালিয়াকান্দিতে ৩৪৫ পিস ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুইজন আটক” কালীপূজা ঘিরে নেত্রকোনায় পুলিশের সর্বাত্মক নিরাপত্তা প্রস্তুতি” “১০ দিন পর অপহরণকারীদের কবল থেকে ফিরলেন কলেজশিক্ষার্থী রিদওয়ান লটারি নিয়ে প্রশ্নের পাহাড়, রংপুরের গঙ্গাচড়া থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ উপসহকারী প্রকৌশলী” ‎ লালপুর বাজারের রাস্তা-ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর আল্টিমেটাম, না সরলে চলবে অভিযান” আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন।

“হযরত মুহাম্মদ (সা:)-কে কটূক্তির দায়ে জাবি শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার”

  • আপডেট : রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫১ জন দেখেছেন

“হযরত মুহাম্মদ (সা:)-কে কটূক্তির দায়ে জাবি শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার”

মো: শাকিল হোসাইন, জাবি প্রতিনিধি

হযরত মুহাম্মদ (সা:)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কটূক্তি করার অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের (৫০তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী তৌফিক ইসলাম নাবিলকে আজীবন বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আজিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় নাবিলকে আজীবন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর আগে, গত ৩০ জুন একই অভিযোগে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করে তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রশাসন। তদন্ত প্রতিবেদনে নাবিলের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগকে অপ্রতিরোধ্য বলে উল্লেখ করে তাকে স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়। পরবর্তীতে ডিসিপ্লিনারি বোর্ডও সুপারিশটি বহাল রেখে সিন্ডিকেটে প্রেরণ করে। ৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৮ জুন নাবিলের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যসহ একটি স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে শিক্ষাঙ্গনের মতো জ্ঞানচর্চার পরিবেশে এ ধরনের আচরণ সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই এমন শাস্তি ভবিষ্যতে অন্যদের জন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে বলে তাদের মত।

সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষার ক্ষেত্রে ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের প্রতি সম্মান দেখানো সকল নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব বলে মত প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা। তারা আরও বলেন, মুসলমানদের কাছে হযরত মুহাম্মদ (সা:)-এর মর্যাদা অতুলনীয়; তাঁর শানে সম্মান ও ভক্তি প্রদর্শন করা শুধু সামাজিক দায়িত্বই নয়, ধর্মীয়ভাবে ফরজ।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, আচার-ব্যবহার, নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার দৃষ্টিকোণ থেকে শিক্ষার্থীদের আচরণে যাতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে—সে লক্ষ্যে ক্যাম্পাসে সচেতনতা বাড়ানো হবে।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের বিষয়টি বাংলাদেশের সমাজে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে হযরত মুহাম্মদ (সা:)-কে নিয়ে কটূক্তি শুধু ব্যক্তিগত মত নয়—এটি কোটি মানুষের গভীর ধর্মীয় আবেগের সাথে সম্পৃক্ত। তাই বিষয়টি সামাজিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার দৃষ্টিকোণ থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

1. ধর্মীয় মূল্যবোধ সমাজের ভিত্তি
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রে নবীর (সা:) মর্যাদা অটুট রাখা সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। তাঁর সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।

2. শিক্ষার্থীর নৈতিক দায়িত্ব
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ সমাজ নেতৃত্বের ধারক। তাদের আচরণে অসচেতনতা সমাজে ভুল বার্তা দিতে পারে। তাই প্রশাসনের কঠোরতা শিক্ষাঙ্গনের মর্যাদা রক্ষার অংশ।

3. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ঝুঁকি
অনলাইনে দেওয়া একটি মন্তব্য মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। ধর্মীয় ইস্যুতে সামান্য উসকানিও বড় সংকটে পরিণত হতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

4. দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রয়োজন
অনেকের মতে, এই আজীবন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে অন্যদের সতর্ক করবে। অনলাইন আচরণে দায়িত্বশীলতা বাড়াতে এমন সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে।

5. ইসলামী দৃষ্টিকোণ
নবীজির (সা:) শানে সম্মান প্রদর্শন মুসলমানদের জন্য ফরজ। তাই ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক এই তিন দিক থেকেই এই সিদ্ধান্তকে অধিকাংশের কাছে যৌক্তিক মনে হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির