1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
“৮১ কিলোমিটারের রেলপথে মুরাদনগর উপেক্ষিত! স্টেশনের দাবিতে রাজপথে জনতার প্রতিবাদ মানিকগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্ব নিয়ে গোপন তৎপরতা অপচেষ্টা—ক্ষুব্ধ তৃণমূল ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার” বালিয়াকান্দিতে ৩৪৫ পিস ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুইজন আটক” কালীপূজা ঘিরে নেত্রকোনায় পুলিশের সর্বাত্মক নিরাপত্তা প্রস্তুতি” “১০ দিন পর অপহরণকারীদের কবল থেকে ফিরলেন কলেজশিক্ষার্থী রিদওয়ান লটারি নিয়ে প্রশ্নের পাহাড়, রংপুরের গঙ্গাচড়া থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ উপসহকারী প্রকৌশলী” ‎ লালপুর বাজারের রাস্তা-ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর আল্টিমেটাম, না সরলে চলবে অভিযান” আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন।

“মৌলভীবাজারে স্থানীয় শহীদ দিবস”

  • আপডেট : রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬৮ জন দেখেছেন

“মৌলভীবাজারে স্থানীয় শহীদ দিবস”

রিপন কান্তি ধর, জেলা প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার।

২০ ডিসেম্বর ২৭ বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মরণে মৌলভীবাজারে পালিত হয় শহীদ দিবস।
এই দিনটি মৌলভীবাজারবাসীর জন্য অত্যন্ত বেদনাময়। বিজয় দিবসের ঠিক চারদিন পর রহস্যজনক এক মাইন বিস্ফোরণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্প। এতে নির্মমভাবে শহীদ হন বিভিন্ন স্থান থেকে এসে আশ্রয় নেয়া ২৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। প্রতি বছর এই দিনটিকে স্থানীয় শহীদ দিবস হিসেবে জেলার মানুষ গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তবে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও ওই মাইন বিস্ফোরণের রহস্য জানা যায়নি।
ইতিহাস থেকে জানা যায়, দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর হানাদারমুক্ত হয় মৌলভীবাজার জেলা। এরপর ১৬ ডিসেম্বর পুরো দেশ শত্রুমুক্ত হলে বিজয়ের আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে সারাদেশ। মুক্ত দেশে মুক্তিবাহিনীর হেডকোয়ার্টার স্থাপন করা হয় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে। বিভিন্ন সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেখানে এসে জড়ো হন। সেখানে জমা পড়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ। সেই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে পুঁতে রাখা ট্যাংক বিধ্বংসী মাইনও তুলে এনে রাখা হয় ওই বিদ্যালয়ে।

২০ ডিসেম্বর দুপুরবেলা বীর মুক্তিযোদ্ধারা সবেমাত্র খেতে বসেছেন। বাড়ি ফেরা ও সংসারের হাল ধরার পরিকল্পনা নিয়ে মশগুল সবাই। ঠিক সেই সময়েই আকস্মিক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। শক্তিশালী বিস্ফোরণের আঘাতে বিদ্যালয়ের দেয়াল, টিনের চাল ও মুক্তিযোদ্ধাদের দেহ খণ্ডবিখণ্ড হয়ে ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। বিদ্যালয় মাঠের পাশে সমাধিস্থ করা হয় বিস্ফোরণে শহীদ ২৪ জন মুক্তিযোদ্ধাকে। হতভাগ্য এসব মুক্তিযোদ্ধার স্মরণে দিনটিকে স্থানীয় শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং স্থাপন করা হয় শহীদদের নামফলক।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির