1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
“৮১ কিলোমিটারের রেলপথে মুরাদনগর উপেক্ষিত! স্টেশনের দাবিতে রাজপথে জনতার প্রতিবাদ মানিকগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্ব নিয়ে গোপন তৎপরতা অপচেষ্টা—ক্ষুব্ধ তৃণমূল ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার” বালিয়াকান্দিতে ৩৪৫ পিস ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুইজন আটক” কালীপূজা ঘিরে নেত্রকোনায় পুলিশের সর্বাত্মক নিরাপত্তা প্রস্তুতি” “১০ দিন পর অপহরণকারীদের কবল থেকে ফিরলেন কলেজশিক্ষার্থী রিদওয়ান লটারি নিয়ে প্রশ্নের পাহাড়, রংপুরের গঙ্গাচড়া থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ উপসহকারী প্রকৌশলী” ‎ লালপুর বাজারের রাস্তা-ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর আল্টিমেটাম, না সরলে চলবে অভিযান” আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন।

“সুন্দরবনের গোলফল তাল শাঁসের বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে”

  • আপডেট : বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০১ জন দেখেছেন

“সুন্দরবনের গোলফল তাল শাঁসের বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে”

মোক্তার হোসেন,খুলনা জেলা প্রতিনিধি

ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনের গোলফল তালের শাঁসের চেয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।কয়রা সহ সুন্দরবন উপকূলীয় জনপদে এ ফলের চাহিদা বিপুল পরিমাণ বেড়ে চলেছে।এক সময়কার অবহেলিত এই ‘জংলি’ ফলটি এখন তালের শাঁসের বিকল্প হিসেবে গ্রাম পেরিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে শহরের ড্রয়িংরুমেও।
সুন্দরবনের গোলগাছের ভিতরে লুকিয়ে থাকা সাদা নরম শাঁস এখন সবার নজর কেড়েছে। শক্ত খোসা ছাড়ালে এর ভিতরে পাওয়া যায় ধবধবে সাদা জেলির মতো শাঁস। স্বাদে-গন্ধে এটি তালের শাঁসের মত স্বাদ পাওয়া যায়। যা স্থানীয়দের কাছে “নোনা জলের তালের শাঁস’ নামে পরিচিত।
লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপকূল থেকে তালগাছ হারিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু লবণসহিষ্ণু হওয়ায় গোলগাছ বাড়ছে দ্বিগুণ উৎসাহে।সহজলভ্যতা সুন্দরবনের পশ্চিম বনবিভাগসহ কয়রার কপোতাক্ষ নদের চরাঞ্চলে এখন প্রাকৃতিকভাবেই প্রচুর গোল ফল মিলছে, এবং সুন্দরবনের আশেপাশে এ ফলটি বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।
পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় সুন্দরবনে ঘুরতে আসা পর্যটকরা একবার এই ফলের স্বাদ নিলে তা ভুলে থাকা দায়। তাদের মাধ্যমেই এই ফলের খ্যাতি এখন দেশজুড়ে।
প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংক: তীব্র গরমে এই শাঁস শরীর ঠাণ্ডা রাখে এবং ক্লান্তি দূর করতে টনিকের মতো কাজ করে। এছাড়াও শরীরের ব্যথা, চর্মরোগ ও ডায়াবেটিস এর মতো সমস্যায় এ ফলটি উপকারী।
গোলপাতা গাছের বুক চিরে বের হওয়া মোচা থেকে তৈরি হয় দৃষ্টিনন্দন ফলের কাঁদি। প্রতি জুন-জুলাইয়ের এই ভরা মৌসুমে উপকূলের অর্থনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করছে এই গোল ফল। কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুজিত কুমার বৈদ্য জানান, “গোল ফল শুধু মুখরোচকই নয়, এটি চর্মরোগে বেশ কার্যকর এবং মুখের অরুচি দূর করতে সহায়তা করে।
গোল ফলের শাঁসে প্রচুর পরিমাণে জলীয় অংশ ও খনিজ উপাদান থাকে, যা প্রচণ্ড গরমে বা রোদে কাজ করার পর শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং পানিশূন্যতা দূর করে। হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি:
যাদের খাবারে অরুচি বা হজমের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এই ফল মহৌষধ। এটি লিভারের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং প্রাকৃতিক রুচিবর্ধক হিসেবে কাজ করে। ত্বকের যত্নে জাদুকরী।প্রকৃতির এই অনন্য দানকে যদি সঠিক প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং উন্নত বিপণনের আওতায় আনা যায়, তবে তালের শাঁসের মতোই ‘গোল ফল’ হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের নীল অর্থনীতির অন্যতম এক চালিকাশক্তি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির