“রামু–উখিয়ার ঘোনা উক্যার চরা খাল খননে বদলে যাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য”
হামিদুল হক মার্সাল,রামু, প্রতিনিধি
রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নে উখিয়া ঘোনা এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত উক্যার চরা খাল খনন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বদলে যেতে যাচ্ছে হাজারো কৃষকের ভাগ্য। দীর্ঘদিন অবহেলায় ভরাট হয়ে থাকা এই খালটি পুনঃখননের ফলে অনাবাদি পড়ে থাকা হাজার একর কৃষিজমি আবারও চাষাবাদের আওতায় আসবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পানি নিষ্কাশনের অভাবে বছরের পর বছর এই অঞ্চলের বিস্তীর্ণ জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করা সম্ভব হচ্ছিল না। বর্ষা মৌসুমে জমিতে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে কৃষকরা চরম দুর্ভোগে পড়তেন। উক্যার চরা খাল খননের ফলে সেই সংকট দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল আলম। তার একান্ত প্রচেষ্টা এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় খাল খনন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে। চেয়ারম্যান শামসুল আলম জানান, “এই খাল খননের মাধ্যমে শুধু পানি নিষ্কাশন নয়, কৃষির উৎপাদন বাড়বে, কৃষকদের আয় বাড়বে এবং পুরো এলাকার অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।”
স্থানীয় কৃষকরা জানান, খাল খনন সম্পন্ন হলে তারা আবার নিয়মিত ধান রোপণ করতে পারবেন। পাশাপাশি শাকসবজি ও অন্যান্য ফসল চাষের সুযোগও সৃষ্টি হবে। এতে একদিকে যেমন খাদ্য উৎপাদন বাড়বে, অন্যদিকে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, খাল খননের কাজ সঠিকভাবে ও টেকসইভাবে সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে আর জলাবদ্ধতার সমস্যা দেখা দেবে না। তারা এই উদ্যোগের জন্য চেয়ারম্যান শামসুল আলম ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের খাল প্রকল্প কৃষি নির্ভর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত কার্যকর উদ্যোগ। উখিয়ার ঘোনা এই খাল খনন প্রকল্প সফল হলে এটি অন্যান্য এলাকার জন্যও একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
Leave a Reply