“অপপ্রচারের উল্টো প্রভাব: তাহেরীকে ঘিরে বাড়ছে জনপ্রিয়তা
মুখে মুখে একটাই নাম—মুফতি তাহেরী
শিশু থেকে বৃদ্ধের মুখে মোমবাতি স্লোগান”
জি,এম বাবু (হবিগঞ্জ প্রতিনিধি)
হবিগঞ্জ–৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত ও বৃহত্তর সুন্নী জোট সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীকে ঘিরে চলমান অপপ্রচারের চেষ্টা উল্টো তার জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে তুলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন মাধ্যমে চালানো নেতিবাচক প্রচারণা ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তির বদলে কৌতূহল ও আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। এর প্রভাব পড়েছে মাঠপর্যায়ের আলোচনায়। মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার গ্রাম থেকে শুরু করে বাজার, চায়ের স্টল ও আড্ডায় এখন আলোচনার কেন্দ্রে তাহেরীই।
স্থানীয়ভাবে দেখা যাচ্ছে, সমর্থন-সমালোচনা, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও মতবিনিময়ের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে তাহেরীর নাম। অনেকেই মনে করছেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বরং তার পরিচিতি ও রাজনৈতিক উপস্থিতিকে আরও দৃশ্যমান করে তুলেছে।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে চলমান আলোচনা ও বিতর্কের কারণে সাধারণ মানুষ তাহেরীর বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। ফলে তার রাজনৈতিক অবস্থান, বক্তব্য ও কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা বেড়েছে, যা নির্বাচনী প্রচারণাকে স্বাভাবিক সময়ের আগেই প্রাণবন্ত করে তুলেছে।
রাজনৈতিক সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনের রাজনীতিতে অনেক সময় নেতিবাচক প্রচারও প্রার্থীর জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনে—যদি ভোটাররা সেটিকে অপপ্রচার হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন। তাহেরীর ক্ষেত্রেও ঠিক এমনটাই ঘটছে বলে তাদের ধারণা। অপপ্রচারের জবাবে সরাসরি পাল্টা বক্তব্যের পরিবর্তে মাঠপর্যায়ের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত আলোচনাই এখন তার বড় শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
সব মিলিয়ে ২২ তারিখের আগেই মাধবপুর–চুনারুঘাটের রাজনৈতিক মাঠে তাহেরীর প্রচারণা যে উল্লেখযোগ্যভাবে গতি পেয়েছে, তা চায়ের স্টল থেকে বাজারের আড্ডা পর্যন্ত লক্ষ্য করলেই স্পষ্ট। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের আগেই জনমত তাহেরীর পক্ষে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। এমনকি অপপ্রচারের প্রতিক্রিয়ায় মোমবাতি প্রতীকের সম্ভাব্য বড় ধরনের বিজয়ের কথাও আলোচনায় আসছে।
Leave a Reply