1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
এইচএসসি ফলাফল: ব্যর্থ কারা—শিক্ষার্থী, নাকি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা? নতুন নেতৃত্বে বৌদ্ধ যুব সংঘ, ১৫ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা শুক্রবার জবিতে রোভার স্কাউট গ্রুপের বার্ষিক ডে-ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে দান, শীল ও প্রার্থনায় মুখর দুই অরণ্য কুটির; খাগড়াছড়িতে কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপন মৌলভীবাজার ডিডাফ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির অফিসে সকল জেলা উপজেলা, ও বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। লালপুরে বিলমাড়ীয়া মডেল একাডেমীর ১ যুগ পূর্তি ও কৃতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত” লালপুরে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের আখ মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন” ঘোড়াঘাটে কাজী এগ্রো কেয়ারের উচ্চ ফলনশীল ধান ও বীজের শুভ উদ্বোধন” জাবির তাজউদ্দীন আহমদ হলে ১১টি বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপন, আরও তিন তলায় বসানোর পরিকল্পনা। পবিপ্রবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, প্রক্টরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন”

“জাকসুর ডোপ টেস্ট ও নির্বাচনী আর্থিক হিসাব গোপন? তথ্য চাইতে গিয়ে হয়রানির শিকার জাবি শিক্ষার্থী কবির”

  • আপডেট : বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২১৯ জন দেখেছেন

“জাকসুর ডোপ টেস্ট ও নির্বাচনী আর্থিক হিসাব গোপন? তথ্য চাইতে গিয়ে হয়রানির শিকার জাবি শিক্ষার্থী কবির”

মো: শাকিল হোসাইন জাবি প্রতিনিধি

তথ্য অধিকার আইন–২০০৯ অনুযায়ী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও জাকসু নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে আবেদন করেও দীর্ঘদিন ধরে তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী কবির। অভিযোগ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জাকসুর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো একে অপরের ওপর দায় চাপিয়ে তথ্য প্রদান থেকে বিরত রয়েছে।

ভুক্তভোগী কবির জানান, ১২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে তিনি জাকসু নির্বাচনের সদস্য সচিব বরাবর লিখিতভাবে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী আবেদন করেন। আবেদনে তিনি তিনটি বিষয়ে তথ্য চান—
১) জাকসু সংশ্লিষ্ট ডোপ টেস্টের ফলাফল,
২) ১৯৯৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায়কৃত মোট জাকসু ফি’র পরিমাণ,
৩) জাকসু নির্বাচনে ব্যয়কৃত অর্থের বিস্তারিত হিসাব ও সংশ্লিষ্ট ভাউচার।

আইন অনুযায়ী ২০ কর্মদিবসের মধ্যে তথ্য সরবরাহ না করায়, একই তিনটি বিষয়ের ওপর তিনি ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর পুনরায় আবেদন করেন। তবে এই আবেদনেও কোনো কার্যকর অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তথ্য সংগ্রহের অগ্রগতি জানতে ৮ ডিসেম্বর জাকসু নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে গেলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা তাকে জানান, বিষয়টি সদস্য সচিবের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে সেই সিদ্ধান্ত কবে নেওয়া হবে বা আদৌ কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে কি না—সে বিষয়ে আজ পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দেওয়া হয়নি।

পরবর্তীতে ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে তিনি জাকসুর সাধারণ সম্পাদককে বিষয়টি অবগত করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে ভূমিকা রাখার পরিবর্তে জাকসুর দায়িত্বশীলদের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। একইভাবে সমাজসেবা সম্পাদক লাবিব ও জিএস মাজহারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তিনি কোনো সাড়া পাননি। তবে জাকসুর একজন সদস্য চিশতি কিছুটা সহযোগিতা করেছেন বলে জানান কবির।

এদিকে, রেজিস্ট্রার মহোদয়ের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করলে তিনি জানান, চাওয়া তথ্যগুলো রেজিস্ট্রার অফিসে সংরক্ষিত নেই এবং প্রক্টর অফিসে রয়েছে। যদিও রেজিস্ট্রার তার আবেদনে স্বাক্ষর করে ফাইল ফরওয়ার্ড করেন, কিন্তু বাস্তবে ফাইলটি বর্তমানে কোন দপ্তরে রয়েছে—সে বিষয়ে প্রশাসনের কেউই নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেননি।

তথ্য না পাওয়ার প্রেক্ষিতে কবির ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তথ্য অধিকার আইন–২০০৯ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর আনুষ্ঠানিকভাবে আপিল করেন। তবে আপিল দায়েরের পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি, কিংবা লিখিতভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। ফলে আপিল প্রক্রিয়াও কার্যত অচল অবস্থায় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (সাধারণ প্রশাসন) মো. মাহতাব-উজ-জাহিদ তার কাছে কোনো লিখিত বা ই-মেইলের মাধ্যমে তথ্য সরবরাহ করেননি। এমনকি ভিসির ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) তাকে অফ দ্য রেকর্ড জানান, প্রশাসন তথ্য দিতে অনিচ্ছুক এবং সময়ক্ষেপণের কৌশল নিচ্ছে।

কবির বলেন, “প্রশাসন আমাকে এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে ঘুরিয়ে তথ্য দেওয়া থেকে কার্যত বিরত থাকছে। তথ্য দিতে অপারগ হলে আইন অনুযায়ী ‘ফরম–খ’-এ লিখিতভাবে জানানো বাধ্যতামূলক হলেও সেটিও করা হয়নি।”

এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে—তথ্য অধিকার আইন কার্যকর থাকা সত্ত্বেও কেন জাকসু ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রকাশযোগ্য তথ্য দিতে ব্যর্থ হচ্ছে, এবং জাকসু আদৌ সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করছে কি না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা জাকসুর দায়িত্বশীলদের পক্ষ থেকে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির