1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সারাদেশে দ্বিতীয়! জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬ অর্জন করলেন লালপুরের রায়হান” নেত্রকোনায় পাঁচ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস ৩০ পরীক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ নয়, জেলার সামগ্রিক পাসের হারও ৫০ শতাংশের নিচে।  ঘোড়াঘাটে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে র‌্যালি চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় “দক্ষ যুবসমাজ গড়ার প্রত্যয়ে খাগড়াছড়িতে জাবারাংয়ের উদ্যোগে জাতীয় যুব দিবস পালন খাগড়াছড়িতে উদ্যোক্তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত” খাগড়াছড়িতে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন” খাগড়াছড়ির আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটিতে এমপির প্রতিনিধি অংগ্য মারমা” “মনোহরদীতে খতমে নবুওয়াত মহাসম্মেলনে ইমাম-উলামা-ত্বলাবা পরিষদের ফ্রি শরবত বিতরণ” এইচএসসি ফলাফল: ব্যর্থ কারা—শিক্ষার্থী, নাকি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা? নতুন নেতৃত্বে বৌদ্ধ যুব সংঘ, ১৫ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

“সংঘবদ্ধ প্রশ্নপত্র চক্রের কবলে প্রধান শিক্ষক আফসার আলী”

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫
  • ১০১ জন দেখেছেন

“সংঘবদ্ধ প্রশ্নপত্র চক্রের কবলে প্রধান শিক্ষক আফসার আলী”

শিহাবুস সাকিব,উল্লাপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি:

সংঘবদ্ধ প্রশ্নফাঁস চক্রের হোতাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় নিজের জীবন নিয়ে ঝুঁকির মুখে পড়েছেন সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফসার আলী। এদিকে প্রশ্নফাঁস চক্রের হোতাদের বিরুদ্ধে বুধবার (২৩ জুলাই) বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে

সংবাদ প্রকাশ হলে তারা সংঘবদ্ধভাবে প্রধান শিক্ষক আফসার আলীকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। এতে সংঘবদ্ধ প্রশ্ন ফাঁস চক্রের হোতাদের প্রাণনাশের হুমকিতে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন প্রধান শিক্ষক আফসার আলী।

অভিযোগে জানাযায়, সিরাজগঞ্জ সালেহা-ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এবিষয়ে একাধিকবার

তদন্ত হলেও আলোর মুখ দেখেনি। বিশেষ করে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষক আফসার আলী সোচ্চার হলে

উল্টো তাকেই লাঞ্ছিত ও অপদস্থকরা হয়। সংঘবদ্ধ প্রশ্নফাঁস চক্রের শিক্ষকরা এ বিদ্যালয়ে একটি শক্ত সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। তারা বছরের পর বছর ও যুগের পর যুগ একই কর্মস্থলে থেকে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করা ও প্রাইভেট না পড়লে মার্ক কম দেওয়াসহ নানা অপকর্ম করে আসছেন, কিন্তু অভিযুক্ত ওই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যে কারণেই প্রত্যেক পরীক্ষার আগেই প্রশ্নফাঁস হচ্ছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। গত জুন মাসে অভিভাবকরা আবারও অভিযোগ দিয়েছেন। এবারও বিষয়টি লিখিতভাবে জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে। এতে এবার কী পদক্ষেপ গ্রহন করেন জেলা প্রশাসক সে প্রতীক্ষায় রয়েছেন অভিযোগকারী অভিভাবকরা।

এদিকে নিজের অসহায়ত্বের কথা প্রকাশ করে প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আফসার আলী বলেন,আমি যতবার সোচ্চার হয়েছি,ততবারই তাদের রোষানলে পড়েছি। এখনও তাদের হুমকি-ধামকিতে নিজেই জীবনের

নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আর আমার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ওইসব অভিযুক্ত শিক্ষকদের কাছে বন্দি হয়ে পড়েছে। ওই অভিযুক্ত শিক্ষকরা যেকোন সময়ে আমাকে প্রাণনাশসহ জীবনের বড় ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে। শুধু তাই নয়, ইতোমধ্যেই আমার নিরাপত্তার স্বার্থে

বিদ্যালয় থেকে বদলী হওয়ার জন্য আবেদন করেছি। আমি শিক্ষার্থীদের ধ্বংসের হাত রক্ষা করার জন্য প্রশ্নফাঁস সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনসহ আমি আমার জীবনের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির