“চুনারুঘাট প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান চলছে পরিক্ষার কাজ”
“আলা উদ্দিন চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিবেদকঃ”
হবিগঞ্জ জেলা চুনারুঘাট উপজেলার ১০নং মিরাশি ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ডের বড়আব্দা গ্রামে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে এমন গুঞ্জণ শুনা যাচ্ছে এই বিষয়ে এলাকার এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন ১৯ জুন রোজ শুক্রবার সকাল ১০ঘটিকায় প্রায় ১৫-২০ জন মানুষ মাটি খনন করতে দেখা যায়। এ সময় তাদের কে জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন বাংলাদেশ গ্যাস কোম্পানির ম্যাপ অনুযায়ী এই জায়গাতে জ্বালানি গ্যাসের সন্ধান রয়েছে। স্থানীয় জনগণের মাধ্যমে জানাযায় প্রায় এক ঘন্টা মাটি খনন করে প্রায় ৫০/১০০ ফুট গভীর থেকে মাটির নিচে গর্ভস্থ স্তরে প্রাকৃতিক বালির স্তূপ বালুকণা নিয়ে যেতে দেখা যায়। কণা বালি পরিক্ষা নিরিক্ষার পরে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে ধারণা এলাকাবাসীর। এই বিষযে সংশ্লিষ্টদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান প্রাথমিক আলামত পাওয়াগেছে বলে তাদের ধারণা, এলাকাবাসী এ বিষয়ে সটিক তথা না দিতে পারলেও প্রাকৃতিক জ্বালানী সম্পদ গ্যাস পাওয়া খবর শোনে এলাকার মানুষের উপস্থিতি প্রচুর ছিল এবং জনমনে আনন্দের জোয়ার বইছে। উক্ত গ্রামের বাসিন্দা মাওলা রফিকুল ইসলাম জানান প্রাকৃতিক গ্যাস হলো মাটির গভীরে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি একটি জীবাশ্ম জ্বালানি ও হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ, যার প্রধান উপাদান হলো মিথেন গ্যাস এই গ্যাস এখানে উৎপাদন হলে এলাকা বাসী খুশি কিন্তৃু সিলেট সর্বোচ্চ গ্যাস উৎপাদন হলেও আমরা আজ গ্যাস থেকে বঞ্চিত। যদি সত্যিই আমার এলাকায় গ্যাস উৎপাদন হয় আগে আমাদের এলাকার গ্যাসের চাহিদা পূরণ করা হয়। তিনি আরো বলেন। সিলেটে সর্বপ্রথম ১৯৫৫ সালে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায় এবং ১৯৫৭ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম আবিষ্কৃত এবং উৎপাদিত গ্যাসক্ষেত্র, যা সিলেটের হরিপুরে অবস্থিত কিন্তুু সিলেট বাসীর প্রত্যাশা অনুযায়ী গ্যাস পাচ্ছে না জনগণের প্রাণের দাবী সিলেট বাসী যেন পর্যাপ্ত গ্যাস পায় তিনি দাবি করেন।
আলা উদ্দিন চুনারুঘাট হবিগঞ্জ প্রতিবেদক
০১৭৪৩০৮১৭৩২
Leave a Reply