1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার” বালিয়াকান্দিতে ৩৪৫ পিস ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুইজন আটক” কালীপূজা ঘিরে নেত্রকোনায় পুলিশের সর্বাত্মক নিরাপত্তা প্রস্তুতি” “১০ দিন পর অপহরণকারীদের কবল থেকে ফিরলেন কলেজশিক্ষার্থী রিদওয়ান লটারি নিয়ে প্রশ্নের পাহাড়, রংপুরের গঙ্গাচড়া থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ উপসহকারী প্রকৌশলী” ‎ লালপুর বাজারের রাস্তা-ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর আল্টিমেটাম, না সরলে চলবে অভিযান” আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন। বাঙালি জাতির আদি ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব- প্রাক্তন মন্ত্রী নাজিম উদ্দীন  সাংবাদিক আলিফ হত্যা: ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র, ৯০ দিনে বিচার দাবি”

“কয়রায় রোগাক্রান্ত গরু জবাই, অ্যানথ্রাক্স রোগের আশঙ্কা।

  • আপডেট : শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১১৩ জন দেখেছেন

“কয়রায় রোগাক্রান্ত গরু জবাই, অ্যানথ্রাক্স রোগের আশঙ্কা।

মো: মাহমুদুর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা

খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের ফুলতলা বাজারে অবৈধভাবে পরিচালিত একটি কসাইখানা থেকে মাংস খাওয়ার পর এলাকাজুড়ে অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কসাই সুমন ব্যাপারী নিয়মিত রোগাক্রান্ত গরু কম দামে কিনে জবাই করে বেশি দামে বিক্রি করছেন। এর ফলে ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, অ্যানথ্রাক্স হলো ব্যাসিলাস অ্যানথ্রাসিস জীবাণুর কারণে সৃষ্ট সংক্রামক রোগ। এটি মূলত গরু, ছাগল ও ভেড়ার মতো গবাদিপশুতে দেখা দেয়। আক্রান্ত পশুর মাংস বা রক্ত মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে প্রাণঘাতী হতে পারে। রোগের লক্ষণ হিসেবে জ্বর, কালো ফোসকা, ঘা, বমি ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

ফুলতলা গ্রামের এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই কসাইখানা থেকে মাংস কিনতেন। সম্প্রতি অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ভীতি তৈরি হয়েছে। শুধু তিনিই নন, আরও কয়েকজন একই রোগে ভুগছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা দাবি করেন, সুমন ব্যাপারীর দোকান অনুমোদনহীন হলেও প্রায় দুই বছর ধরে তিনি ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। ভোরে গোপনে অসুস্থ গরু জবাই করে আশপাশের এলাকায় মাংস সরবরাহ করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শুভ বিশ্বাস বলেন, “কয়রার সব কসাইখানাই অনুমোদন ছাড়া চলছে। পশু জবাইয়ের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার নিয়ম থাকলেও বাস্তবে তা মানা হয় না। সম্প্রতি কসাইদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। অসুস্থ পশু জবাই করা হলে অ্যানথ্রাক্স ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। আমরা ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।”

মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শান্তানু অধিকারী জানান, সুমন ব্যাপারীর দোকান অবৈধ এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোনো ট্রেড লাইসেন্সও নেননি। তার বিরুদ্ধে আগেও অভিযোগ উঠেছিল।

অভিযোগের বিষয়ে সুমন ব্যাপারী বলেন, তিনি কখনো নিজে গরু জবাই করেন, আবার কখনো অন্য বাজার থেকে কিনে বিক্রি করেন। অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে তিনি খুব বেশি জানেন না, তবে সম্প্রতি একটি প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন।

কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. রেজাউল করিম রাজিব জানান, রোগের নমুনা দেখে অ্যানথ্রাক্স হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি সবাইকে অসুস্থ পশুর মাংস না খাওয়ার আহ্বান জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, ঘটনাটি আমরা খতিয়ে দেখছি। ভোক্তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির