1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
“বন্ধু মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৩য় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পিং সম্পন্ন” ঘোড়াঘাটে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকদের মুখে খুশির হাসি। বালিয়াকান্দিতে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন” বদলগাছীতে ভিপি সম্পত্তি নিয়ে সংঘর্ষ, ৫ দিন পর আহত মাসুদ রাজশাহী মেডিকেলে মৃত্যু জাবির ২১ হলে কম্পিউটার দিল জাকসু, ভবিষ্যতে ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা “দক্ষিণখানে সড়ক দুর্ঘটনায় আন-নাহদা মডেল মাদরাসার ৩ ছাত্রী আহত” ধনবাড়ীতে ” নগদ উদ্যোক্তা সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা -২০২৬” অনুষ্ঠিত” মানিকগঞ্জে ঘিওরে ড্রেজার লিমনের দাপটে হুমকি মূখে বাজার ও কৃষি জমি। বিশ্ব কবিমঞ্চের নানান আয়োজনে সৈয়দ মুজতবা আলীর ১২২তম জন্মবার্ষিকী পালন ঘোড়াঘাটে জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বৃদ্ধ আব্দুল কুদ্দুস প্রয়োজন সরকারের সাহায্য ও সহযোগিতা ।

“চুনারুঘাটে বাদীর কাছে এসআই ফয়সাল আমিনের ঘুষ দাবির অডিও ফাঁস”

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫
  • ১৬৯ জন দেখেছেন

“চুনারুঘাটে বাদীর কাছে এসআই ফয়সাল আমিনের ঘুষ দাবির অডিও ফাঁস”

চুনারুঘাট প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি, মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিলে ফাঁসানোর চেষ্টা এবং আসামি পক্ষকে মদদ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় এক কৃষক। এ ঘটনায় মঙ্গলবার অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকের ছোট ভাই। চুনারুঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফয়সাল আমিনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলেছেন চুনারুঘাট উপজেলার বাসিন্দা সাহাব উদ্দিন। পরে তার পক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন তার ছোট ভাই আলাউদ্দিন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রমাণ হিসেবে সামনে এসেছে ফাঁস হওয়া একটি অডিও ক্লিপ। সম্প্রতি ঘুষের টাকা নিয়ে এসআই ফয়সাল ও ওই ভুক্তভোগীর কথোপকথন হিসেবে দাবি করা ওই অডিও ক্লিপ ফাঁস হওয়ার পর থেকে এলাকায় নানা গুঞ্জন চলছে। অডিওতে এসআই ফয়সালকে বলতে শোনা যায়, ‘নিয়ম হলো রিপোর্ট দিয়ে টাকা নেওয়া। আগে যেহেতু টাকা নিয়ে ফেলছি, এখন দায় সার অবস্থায় পড়ে গেছি। আমি টাকা ছাড়া কোনো কথা বলি না। একজন মাত্র ৭ হাজার টাকা দিয়ে গেছে। আপনার টাকাটা নিয়েই এখন বিপদে পড়ছি, সবাই জেনে গেছে। জবাবে ভুক্তভোগী সাহাব উদ্দিন বলেন, ‘সে আমার আসামি। ২০ হাজার না ৩০ লাখ টাকা দিলেও আপনি খাইবেন, কিন্তু আমার বিষয়টা যেন ঘুরিয়ে না দেন। ধান বিক্রি করে, ঋণ করে টাকা দিয়েছি। মঙ্গলবার সাহাব উদ্দিনের ছোট ভাই আলাউদ্দিন এই ঘটনায় সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও এসআই ফয়সলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তির দাবিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে এর অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, প্রায় ৯ মাস আগে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ তুলে সাহাব উদ্দিন তার প্রতিবেশী সুরুক মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন এসআই ফয়সল আমিন। লেখার খরচ ও তদন্ত রিপোর্ট দ্রুত দেওয়ার জন্য এসআই ফয়সল ভুক্তভোগী সাহাব উদ্দিনের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেন। পরবর্তীতে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করলে পরিবারটি তা দিতে না পারায়, তিনি আসামি পক্ষের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেন। এছাড়া পুলিশ কর্মকর্তা ফয়সলের ইন্ধনে গত ২৯ মে সাহাব উদ্দিনের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় আসামিপক্ষ। এতে তার একটি হাত ও পায়ের হাড় ভেঙে যায়। সে অবস্থায় তিনি সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৮ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন, যার মধ্যে তিন দিন আইসিইউতে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে এসআই ফয়াসল আমিন সাহাব উদ্দিনকে বলেন, ‘তোমরা তো ১৫ হাজার টাকা দিয়েছো, এরপর যোগাযোগ করোনি, তাই আগের রিপোর্টই পাঠিয়ে দিয়েছি। এ সময় থানায় বাদীপক্ষের হুমকির মুখেও পড়েছিলেন বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী সাহাব উদ্দিন বলেন, দ্বিতীয়বার টাকা দাবি করলে তিনি মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন। বিষয়টি টের পেয়ে তিনি এসআই তার মোবাইল থেকে ভিডিও ডিলিট করে দেন। পরে তিনি তা পুনরুদ্ধার করেন। ভুক্তভোগী সাহাব উদ্দিনের ভাই আলাউদ্দিন বলেন, এসআই ফয়সলের ঘুষ বাণিজ্যের কারণে তারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত। পুলিশের সদস্য হয়েও সে দুর্নীতির চর্চা করে। পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, এসআই ফয়সলের কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন রয়েছে। অভিযানে গিয়ে জুয়ার বোর্ড থেকে টাকা আত্মসাৎ, পক্ষপাতমূলক তদন্ত এবং ঘুষ নিয়ে মামলা পরিচালনার অভিযোগ একাধিক। ফরিদপুর জেলার বাসিন্দা ফয়সাল আমিন ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট মহলের তদবিরে বিশেষ কোটায় বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ পান। ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর চুনারুঘাট থানায় যোগ দেন। সেখানে যোগদানের পর থেকে একাধিক আলোচিত মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান, যার মধ্যে একটি বৈষম্য বিরোধী মামলাও রয়েছে। বৈষম্য বিরোধী মামলায় বাদী থাকাকালে গ্রেপ্তার বাণিজ্য শুরু করলে সমালোচনা শুরু হয় । পরবর্তীতে তদন্তকারী ফয়সাল আমীনকে পরিবর্ত করা হয় ।এসআই ফয়সলের কর্মকাণ্ড চুনারুঘাট থানাসহ পুরো জেলার পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। কেউ কেউ বলেছেন, “এসআই ফয়সাল টাকা ছাড়া কোনো কাজ করেন না এটা এখন ওপেন সিক্রেট। মাধবপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এ কে এম সালিমুল হক বলেন, ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগীর ভাই তাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত এসআই ফয়সাল আমিন ঘটনা প্রথমে স্বীকার করেন পরবর্তীতে এড়িয়ে যান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির