“নারায়নগজ ফতুল্লায় স্বামীকে জবাই করে হত্যা স্ত্রী গ্রেফতার”
মোঃ মানিক মিয়া,
স্টাফ রিপোর্টার।
নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লার দেলপাড়া এলাকায় স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগে স্ত্রীকে গ্রেপ্তার কাছে পুলিশ। হত্যার ব্যবহৃত কালে ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা ছুরি ও একটি চাপাতি জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (২৯জুন) বেলা ১১ টার দিকে দেলপাড়া এলাকার চানাচুর ফ্যাক্টরী গলির একটি বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীর আলম জনি (৪৫) নামে ঐ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ঢাকার কদমতলী থানার ঢালকানগর এলাকার আব্দুস শুকুরের ছেলে।
এ সময় নিহতের স্ত্রী ফারজানা আক্তার মুন্নীকে (৪২)গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্থানীয় ব্যক্তিদের ভাষ্যানুযায়ী জাহাঙ্গীর আলম জনি ছিলেন ফারজানা আক্তার মুন্নীর দ্বিতীয় স্বামী।
এ সময় জাহাঙীর আলম জনি ফারজানা আক্তার মুন্নীর প্রথম স্বামীর গাড়ির চালক ছিলেন। এই সময় জনি ও মুন্নীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
প্রায় পাঁচ বছর আগে প্রথম স্বামীর সংসার ছেড়ে দ্বিতীয় স্বামী জনির কাছে আসেন।এ সময় দেলপাড়া এলাকায় একটি বাড়ি নির্মান করে সেখানে বসবাস শুরু করেন। তাদের সংসারে একটি সন্তান ও রয়েছে।
তবে স্থানীয়দের দাবি, জনি ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলের বারে চাকরি করতেন।
এ কারণে অন্য নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে বলে তাদের সংসারে দীর্ঘদিন যাবত ঝগড়াঝাটি ও কলহ চলে আসছিল।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রবিবার রাতে খাবারের সঙ্গে পাঁচটি ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে স্বামীকে খাওয়ানো হয়। পরিকল্পিত ভাবে স্বামী ঘুমিয়ে গেলে গভীর রাতে ঘুমের ঘোরে ধারালো ছুরি ও চাপাতি দিয়ে স্বামীর গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যা নিশ্চিত করা হয়।
তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে অভিযুক্ত স্ত্রীকে গ্রেফতার করে। একই সঙ্গে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত বলে রক্তমাখা ধারালো ছুরি ও চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
Leave a Reply