1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন। বাঙালি জাতির আদি ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব- প্রাক্তন মন্ত্রী নাজিম উদ্দীন  সাংবাদিক আলিফ হত্যা: ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র, ৯০ দিনে বিচার দাবি” রিদোয়ানকে উদ্ধারের দাবিতে মানিকগঞ্জে মানববন্ধন, মহাসড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি। শিক্ষকতা পেশা শেষে মানবসেবার ব্রত: ডিএইচএমএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মাস্টার মোক্তার হোসেন” বারহাট্টায় সীমানা বিরোধে বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ছোট ভাই নিহত সারাদেশে দ্বিতীয়! জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬ অর্জন করলেন লালপুরের রায়হান” নেত্রকোনায় পাঁচ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস ৩০ পরীক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ নয়, জেলার সামগ্রিক পাসের হারও ৫০ শতাংশের নিচে।  ঘোড়াঘাটে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে র‌্যালি চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়

অবশেষে ৫৫ বছর পর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বহন করা গুলি,অস্ত্রোপচারে অপসারণে স্বস্তি পেলেন মন্নাস আলী

  • আপডেট : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৪ জন দেখেছেন

অবশেষে ৫৫ বছর পর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বহন করা গুলি,অস্ত্রোপচারে অপসারণে স্বস্তি পেলেন মন্নাস আলী

(পলাশ পাল, জেলা প্রতিনিধি)

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাদের ছোড়া একটি গুলি ৫৫ বছর ধরে পেটে নিয়েই বেঁচে ছিলেন ৭৫ বছর বয়সী নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার মন্নাস আলী। অবশেষে চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে গুলি থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। পরবর্তীতে
গত ৪ জুলাই শনিবার দুপুরে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. তানজিরুল ইসলাম রায়হানের নেতৃত্বে চিকিৎসকদের একটি দল প্রায় ৩০ মিনিটব্যাপী সফল অস্ত্রোপচার পরিচালনার মাধ্যমে তার পেট থেকে গুলিটি বের করেন।
মন্নাস আলীর বাড়ি উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের হরিয়াউন্দ গ্রামে।স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যরা জানান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় দুর্গাপুরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী একটি ক্যাম্প স্থাপন করে। সে সময় গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নে এক বীর মুক্তিযোদ্ধা তিনজন পাকিস্তানি সেনাকে হত্যা করে মাটিচাপা দেন। এর প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তানি বাহিনী আশপাশের গ্রামগুলোতে ভয়াবহ হামলা চালায়।
হামলার সময় অর্ধশতাধিক মানুষকে ঘরের ভেতরে আটকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয় এবং নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। এতে বহু মানুষ নিহত হন, আর অনেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে যান।
সেই সময় প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পালানোর সময় পাকিস্তানি সেনাদের ছোড়া একটি গুলি মন্নাস আলীর পেটে বিদ্ধ হয়। চরম দারিদ্র্যের কারণে তিনি কখনো অস্ত্রোপচার করাতে পারেননি। ফলে প্রায় ৫৫ বছর ধরে শরীরেই গুলিটি বহন করেই জীবন কাটাতে হয় তাকে।
সম্প্রতি বিষয়টি এলাকার বাসী মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আলোচনায় এলে চিকিৎসকদের নজরে আসে। পরে উদ্যোগ নিয়ে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার অস্ত্রোপচার করা হয় এবং দীর্ঘদিনের সেই গুলিটি সফলভাবে অপসারণ করা সম্ভব হয়।
চিকিৎসকরা জানান, অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং বর্তমানে মন্নাস আলী চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং সুস্থ আছেন ।মন্নাস আলীর ছেলে আবুল হোসেন বলেন, “বাবা বিগত সব সময়ই অসুস্থ থাকতেন, কিন্তু টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারিনি।” হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং যাদের সার্বিক সহযোগিতায় বাবার এই অস্ত্রোপাচার সম্ভব হয়েছে তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এলাকাবাসীর সাথে একমত পোষণ করে তাঁকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দানে সরকারের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির