1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন। বাঙালি জাতির আদি ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব- প্রাক্তন মন্ত্রী নাজিম উদ্দীন  সাংবাদিক আলিফ হত্যা: ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র, ৯০ দিনে বিচার দাবি” রিদোয়ানকে উদ্ধারের দাবিতে মানিকগঞ্জে মানববন্ধন, মহাসড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি। শিক্ষকতা পেশা শেষে মানবসেবার ব্রত: ডিএইচএমএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মাস্টার মোক্তার হোসেন” বারহাট্টায় সীমানা বিরোধে বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ছোট ভাই নিহত সারাদেশে দ্বিতীয়! জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬ অর্জন করলেন লালপুরের রায়হান” নেত্রকোনায় পাঁচ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস ৩০ পরীক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ নয়, জেলার সামগ্রিক পাসের হারও ৫০ শতাংশের নিচে।  ঘোড়াঘাটে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে র‌্যালি চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়

ঝুঁকিপূর্ণ খেয়া পারাপারেই কাটছে জীবন মৌলভীবাজারে একটি ফুটব্রিজের অপেক্ষায় মনু পাড়ের বাসিন্দারা।”

  • আপডেট : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১৯৪ জন দেখেছেন

“ঝুঁকিপূর্ণ খেয়া পারাপারেই কাটছে জীবন মৌলভীবাজারে একটি ফুটব্রিজের অপেক্ষায় মনু পাড়ের বাসিন্দারা।”
“রিপন কান্তি ধর,জেলা প্রতিনিধি,মৌলভীবাজার।”
একপারে মৌলভীবাজার পৌরসভার পশ্চিম বাজার খেয়াঘাট, আর অন্যপারে চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের সাবিয়া খেয়াঘাট। মাঝখানে কেবলই বয়ে চলেছে প্রমত্তা মনু নদী। দূরত্ব মাত্র একটি নদীর হলেও, এই সামান্য দূরত্বই আজ কয়েক হাজার মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা আর দৈনন্দিন সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে এক বিশাল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মৌলভীবাজার শহরের কোল ঘেঁষে বয়ে যাওয়া এই মনু নদীর দুই তীরের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের একমাত্র দাবি—একটি ছোট পথচারী সেতু বা ফুটব্রিজ। স্থানীয়দের মতে, এই সেতুটি নির্মিত হলে চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের ৯টি গ্রামের মানুষ খুব সহজেই জেলা শহরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন। এতে তাদের সময়, খরচ এবং যাতায়াতের ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে।

নদী পারাপারে ভোগান্তির কথা জানাতে গিয়ে স্থানীয় এক নারী বলেন, “এখানে একটা সেতু হলে আমাদের খুব সুবিধা হতো। বাচ্চাদের নিয়ে নদী পার হওয়া অনেক কষ্টের। বর্ষার সময় নদী পার হওয়া যায় না, মাঝে মাঝে নৌকার রশিও ছিঁড়ে যায়। আমরা অনেক কষ্টের মধ্যে আছি।”

আরেক ভুক্তভোগী নারী বলেন, “সেতু না থাকায় আমরা সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পাই না। অসুস্থ মা-বোনদের হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। সহজে কোনো গাড়িও পাওয়া যায় না। একটা ব্রিজ হলে আমাদের জন্য খুব ভালো হতো।”

স্থায়ী বাসিন্দা ও প্রবীণরা জানান, শুধু যাতায়াতের জন্যই নয়, জরুরি চিকিৎসার জন্য এই খেয়াঘাটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী বা গুরুতর অসুস্থ রোগীদের পারাপারে চরম ঝুঁকি নিতে হয়। এছাড়া বর্ষাকালে খেয়া নৌকায় পার হতে গিয়ে অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হন।

সেতুর দাবিতে স্থানীয় জনগণ বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আবেদন জানিয়েছেন। জেলা শহরে এসে একাধিকবার মানববন্ধনও করেছেন তারা। কিন্তু দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ আর হতাশা দিন দিন বাড়ছে এলাকাবাসীর মনে।

শুষ্ক মৌসুমে যখন নদীর পানি কমে যায়, তখন অনেকেই হেঁটে বা অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পার হন। তখন সেটাই হয়ে ওঠে একমাত্র ভরসা। তবে বর্ষা এলেই নদীর চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। নদী যখন পানিতে টইটুম্বুর থাকে, তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন ছোট ছোট খেয়া নৌকায় পার হতে হয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষকে।

এক ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলেন, “আমরা এত বড় একটা শহরের পাশে থাকি, অথচ আমাদের এই দুর্ভোগ সরকারের নজরে পড়ে না কেন? অনেক সময় নৌকা থেকে পড়ে মানুষ হাফিজুদ্দিন হয়ে যায় (ডুবে যায়)। এটা কি দেখার কেউ নেই?”
দীর্ঘ দিন সরকারি দপ্তরে গ্রামবাসিকে নিয়ে সমাজসেবক বাবুল দেব একটি ব্রিজের জন্য বিভিন্ন দাবী তুলে ধরেছেন সকলকে নিয়ে করেছেন মানববন্ধন। তাই গ্রাম বাসির একটিই দাবী একটি ফুট ব্রিজ,

উন্নয়নের এই যুগে মাত্র একটি সেতুর অভাবে প্রতিদিন ঝুঁকি, ভোগান্তি আর অনিশ্চয়তাকে সঙ্গী করে চলাচল করছেন নয়টি গ্রামের হাজারো মানুষ। এখন তাদের মনে একটাই প্রশ্ন—আর কত অপেক্ষা করলে মিলবে একটি নিরাপদ যাতায়াতের নিশ্চয়তা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির