1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
“বন্ধু মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৩য় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পিং সম্পন্ন” ঘোড়াঘাটে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকদের মুখে খুশির হাসি। বালিয়াকান্দিতে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন” বদলগাছীতে ভিপি সম্পত্তি নিয়ে সংঘর্ষ, ৫ দিন পর আহত মাসুদ রাজশাহী মেডিকেলে মৃত্যু জাবির ২১ হলে কম্পিউটার দিল জাকসু, ভবিষ্যতে ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা “দক্ষিণখানে সড়ক দুর্ঘটনায় আন-নাহদা মডেল মাদরাসার ৩ ছাত্রী আহত” ধনবাড়ীতে ” নগদ উদ্যোক্তা সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা -২০২৬” অনুষ্ঠিত” মানিকগঞ্জে ঘিওরে ড্রেজার লিমনের দাপটে হুমকি মূখে বাজার ও কৃষি জমি। বিশ্ব কবিমঞ্চের নানান আয়োজনে সৈয়দ মুজতবা আলীর ১২২তম জন্মবার্ষিকী পালন ঘোড়াঘাটে জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বৃদ্ধ আব্দুল কুদ্দুস প্রয়োজন সরকারের সাহায্য ও সহযোগিতা ।

মাদ্রাসার জমি বন্ধক নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে ‘ভিত্তিহীন’ দাবি বিএনপি নেতার”

  • আপডেট : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৯ জন দেখেছেন

মাদ্রাসার জমি বন্ধক নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে ‘ভিত্তিহীন’ দাবি বিএনপি নেতার”

মোছাদ্দেক সৈকত, স্টাফ রিপোর্টার রংপুর”
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বেতগাড়ী একরামিয়া বহুমুখী ফাজিল মাদ্রাসার জমি বন্ধক রেখে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদকে ‘ভিত্তিহীন’ দাবি করেছেন বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মাহমুদুল ইসলাম (সবুজ)। একই সঙ্গে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নিজের ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম মুন্সির ছবি ব্যবহারের প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন তিনি।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১১টায় গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন মাহমুদুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে মাহমুদুল ইসলাম বলেন, বেতগাড়ী একরামিয়া বহুমুখী ফাজিল মাদ্রাসার জমি বন্ধক রেখে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগের সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। অথচ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার এবং বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম মুন্সির ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। এতে তাদের ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে তাদের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, মাদ্রাসার জমি জোরপূর্বক ভোগদখল, বন্ধক রাখা কিংবা এ সংক্রান্ত কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। বিষয়টি তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় তদন্তের ফলাফল প্রকাশের আগেই তাদের ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করা অনভিপ্রেত।

মাহমুদুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে একটি মহল তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম মুন্সির সঙ্গে তার সুসম্পর্ক এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের রাজনৈতিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা সহজেই বেরিয়ে আসবে। এ ক্ষেত্রে জমির দলিলপত্র, বন্ধক সংক্রান্ত কাগজপত্র, আর্থিক লেনদেনের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করলেই প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব।

সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদুল ইসলাম প্রশাসনের প্রতি অভিযোগটির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের প্রতি তথ্য ও প্রমাণ যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির