1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন। বাঙালি জাতির আদি ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব- প্রাক্তন মন্ত্রী নাজিম উদ্দীন  সাংবাদিক আলিফ হত্যা: ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র, ৯০ দিনে বিচার দাবি” রিদোয়ানকে উদ্ধারের দাবিতে মানিকগঞ্জে মানববন্ধন, মহাসড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি। শিক্ষকতা পেশা শেষে মানবসেবার ব্রত: ডিএইচএমএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মাস্টার মোক্তার হোসেন” বারহাট্টায় সীমানা বিরোধে বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ছোট ভাই নিহত সারাদেশে দ্বিতীয়! জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬ অর্জন করলেন লালপুরের রায়হান” নেত্রকোনায় পাঁচ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস ৩০ পরীক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ নয়, জেলার সামগ্রিক পাসের হারও ৫০ শতাংশের নিচে।  ঘোড়াঘাটে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে র‌্যালি চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়

মাদ্রাসার জমি বন্ধক নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে ‘ভিত্তিহীন’ দাবি বিএনপি নেতার”

  • আপডেট : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৫ জন দেখেছেন

“মাদ্রাসার জমি বন্ধক নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে ‘ভিত্তিহীন’ দাবি বিএনপি নেতার”

“মোছাদ্দেক সৈকত, স্টাফ রিপোর্টার রংপুর”
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বেতগাড়ী একরামিয়া বহুমুখী ফাজিল মাদ্রাসার জমি বন্ধক রেখে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদকে ‘ভিত্তিহীন’ দাবি করেছেন বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মাহমুদুল ইসলাম (সবুজ)। একই সঙ্গে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নিজের ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম মুন্সির ছবি ব্যবহারের প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন তিনি।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১১টায় গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন মাহমুদুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে মাহমুদুল ইসলাম বলেন, বেতগাড়ী একরামিয়া বহুমুখী ফাজিল মাদ্রাসার জমি বন্ধক রেখে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগের সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। অথচ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার এবং বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম মুন্সির ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। এতে তাদের ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে তাদের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, মাদ্রাসার জমি জোরপূর্বক ভোগদখল, বন্ধক রাখা কিংবা এ সংক্রান্ত কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। বিষয়টি তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় তদন্তের ফলাফল প্রকাশের আগেই তাদের ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করা অনভিপ্রেত।

মাহমুদুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে একটি মহল তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম মুন্সির সঙ্গে তার সুসম্পর্ক এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের রাজনৈতিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা সহজেই বেরিয়ে আসবে। এ ক্ষেত্রে জমির দলিলপত্র, বন্ধক সংক্রান্ত কাগজপত্র, আর্থিক লেনদেনের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করলেই প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব।

সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদুল ইসলাম প্রশাসনের প্রতি অভিযোগটির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের প্রতি তথ্য ও প্রমাণ যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির