“পবিপ্রবির ছয়টি স্থাপনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন”
পবিপ্রবি প্রতিনিধি,
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) উন্নয়নের নতুন ছোঁয়া লেগেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অধিকতর উন্নয়ন (২য় পর্যায়) ১ম সংশোধিত’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় একযোগে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বেলা ১১টায় ফলক উন্মোচন ও ফিতা কেটে এসব স্থাপনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। তিনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. বি. এম. সাইফুল ইসলাম, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং রেজিস্ট্রার প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালকবৃন্দ, শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায় প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত এই পর্যায়ের আওতায় মোট ৬টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাডেমিক ভবন, ৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র এবং ৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে চারতলা খামার ভবন। এ ছাড়া ৩ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে আনসার ব্যারাক, ১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রশাসনিক ভবনের বিকল্প সিঁড়ি এবং ৬৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক আবহাওয়া স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে।
এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. ওবায়েদুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ড. আমিনুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “আজ একযোগে আমরা ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলাম। একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে হলে মানসম্মত অবকাঠামোর কোনো বিকল্প নেই। আজ যে প্রকল্পগুলোর শুভ উদ্বোধন করা হলো, তা আমাদের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশকে আরও বেগবান করবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও নতুন নতুন স্থাপনা নির্মাণ করা হবে। তবে শুধু অবকাঠামো তৈরি করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না এই রাষ্ট্রীয় সম্পদগুলোর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ এবং সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা আমাদের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব। এ ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রমে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি।”
Leave a Reply