1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ঘোড়াঘাটে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকদের মুখে খুশির হাসি। বালিয়াকান্দিতে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন” বদলগাছীতে ভিপি সম্পত্তি নিয়ে সংঘর্ষ, ৫ দিন পর আহত মাসুদ রাজশাহী মেডিকেলে মৃত্যু জাবির ২১ হলে কম্পিউটার দিল জাকসু, ভবিষ্যতে ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা “দক্ষিণখানে সড়ক দুর্ঘটনায় আন-নাহদা মডেল মাদরাসার ৩ ছাত্রী আহত” ধনবাড়ীতে ” নগদ উদ্যোক্তা সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা -২০২৬” অনুষ্ঠিত” মানিকগঞ্জে ঘিওরে ড্রেজার লিমনের দাপটে হুমকি মূখে বাজার ও কৃষি জমি। বিশ্ব কবিমঞ্চের নানান আয়োজনে সৈয়দ মুজতবা আলীর ১২২তম জন্মবার্ষিকী পালন ঘোড়াঘাটে জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বৃদ্ধ আব্দুল কুদ্দুস প্রয়োজন সরকারের সাহায্য ও সহযোগিতা । “জবি রোভার স্কাউট গ্রুপের নতুন কাউন্সিলের দায়িত্ব গ্রহণ

“শহর রক্ষা বাঁধের গোড়ার মাটি কেটেই বাঁধ মেরামত, প্রশ্ন ঠিকাদারের কাজ নিয়ে”

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ২১ জন দেখেছেন

“শহর রক্ষা বাঁধের গোড়ার মাটি কেটেই বাঁধ মেরামত, প্রশ্ন ঠিকাদারের কাজ নিয়ে”

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধের গোড়ার মাটি কেটে বস্তায় ভরে সেই মাটি দিয়েই বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এতে বাঁধের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহর রক্ষা বাঁধের কয়েকটি স্থানে ভেঙে যাওয়া ও ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতের কাজ চলছে। নিয়ম অনুযায়ী দূরবর্তী স্থান থেকে মাটি এনে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের গর্ত ভরাট করার কথা থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাদার আব্দুল লতিফ হক্কানী বাঁধের গোড়ার মাটি কেটে বস্তায় ভরে সেই মাটি দিয়েই মেরামতের কাজ করছেন।

বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ড, গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবগত করা হলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়, এমনটি হওয়ার কথা নয়। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

তবে অভিযোগ রয়েছে, কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানোর পরও গত মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার বাঁধের গোড়ার মাটি শ্রমিক দিয়ে কেটে বস্তায় ভরতে এবং ওই মাটি দিয়ে বাঁধ মেরামতের কাজ করতে দেখা গেছে। ফলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নজরদারি ও ঠিকাদারের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাঁধের গোড়া থেকে মাটি কেটে পুনরায় সেই মাটি দিয়ে বাঁধ মেরামত করা হলে বর্ষা ও নদীর পানির চাপ বাড়লে বাঁধ আবারও ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে শহর ও আশপাশের জনবসতি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঠিকাদার আব্দুল লতিফ হক্কানীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বাঁধের নিরাপত্তা ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির