1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ঘোড়াঘাটে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকদের মুখে খুশির হাসি। বালিয়াকান্দিতে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন” বদলগাছীতে ভিপি সম্পত্তি নিয়ে সংঘর্ষ, ৫ দিন পর আহত মাসুদ রাজশাহী মেডিকেলে মৃত্যু জাবির ২১ হলে কম্পিউটার দিল জাকসু, ভবিষ্যতে ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা “দক্ষিণখানে সড়ক দুর্ঘটনায় আন-নাহদা মডেল মাদরাসার ৩ ছাত্রী আহত” ধনবাড়ীতে ” নগদ উদ্যোক্তা সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা -২০২৬” অনুষ্ঠিত” মানিকগঞ্জে ঘিওরে ড্রেজার লিমনের দাপটে হুমকি মূখে বাজার ও কৃষি জমি। বিশ্ব কবিমঞ্চের নানান আয়োজনে সৈয়দ মুজতবা আলীর ১২২তম জন্মবার্ষিকী পালন ঘোড়াঘাটে জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বৃদ্ধ আব্দুল কুদ্দুস প্রয়োজন সরকারের সাহায্য ও সহযোগিতা । “জবি রোভার স্কাউট গ্রুপের নতুন কাউন্সিলের দায়িত্ব গ্রহণ

মানিকগঞ্জে ঘিওরে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘সিন্ডিকেটের’ দৌরাত্ম্য।”

  • আপডেট : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০৪ জন দেখেছেন

মানিকগঞ্জে ঘিওরে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘সিন্ডিকেটের’ দৌরাত্ম্য।”

প্রতিবেদক : মাহাবুব আলম তুষার 

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এবার সেই অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সরাসরি হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন জাতীয় দৈনিক সরেজমিন বার্তার ক্রাইম রিপোর্টার আসাদুর জামান। তার দাবি, অফিসের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও সাব-রেজিস্ট্রারের বক্তব্য নিতে গেলে তাকে নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি তার সাংবাদিক পরিচয় যাচাইয়ের নামে অযাচিত প্রশ্ন করা হয় এবং অফিসে প্রবেশের জন্য কথিতভাবে ‘অনুমতি’র প্রয়োজন রয়েছে বলে জানানো হয়।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ঘিওর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার সর্মিলা আহমেদ শম্পা এবং তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে চলাফেরা করা কয়েকজন দলিল লেখক। সাংবাদিকের অভিযোগ, সাব-রেজিস্ট্রার নিজেই একটি প্রভাবশালী বলয় তৈরি করে অফিসের কার্যক্রমে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন দীর্ঘদিন ধরে  এবং সেই বলয়ের সদস্যরা সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়ার সাহস পাচ্ছেন।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৫ আগস্ট মঙ্গলবার। ঘিওর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে সাংবাদিক আসাদুর জামান বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে সাব-রেজিস্ট্রারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে অফিসে যান। তিনি অনিয়মের বিষয়ে প্রশ্ন এবং তথ্য অধিকার আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়ার বিষয়ে কথা বলতে গেলে সাব-রেজিস্ট্রার তাকে ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার আবার আসতে বলেন।

নির্ধারিত দিনে সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে সাংবাদিক পুনরায় অফিসে গেলে সাব-রেজিস্ট্রারের সঙ্গে পরিচয় বিনিময়ের একপর্যায়ে কৌশলে অফিসে কয়েকজন দলিল লেখককে ডেকে আনা হয় বলে তার অভিযোগ।

সাংবাদিকের ভাষ্য অনুযায়ী, এরপর দলিল লেখক ও বললো সাংবাদিক পরিচয়ধারী কাজল মোল্লা তার ভিজিটিং কার্ড দেখতে চান। একই সময় জাহিদউল্লাহ নয়ন সাংবাদিককে উদ্দেশ করে উদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে  ‘আপনি কে?’এমন প্রশ্ন করেন। সাংবাদিক নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও কথোপকথনের একপর্যায়ে তার পরিচয় নিয়ে পুনরায় প্রশ্ন তোলা হয়।

এমনকি সাংবাদিকের ভিজিটিং কার্ডের কিউআর কোড নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। পরে মূল পরিচয়পত্র দেখানো এবং পরিচয় যাচাইয়ের পরও তাকে প্রশ্ন করা হয়, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আপনি কেন ঢুকেছেন? এখানে ঢুকতে হলে আমাদের অনুমতি লাগে।’

সাংবাদিকের অভিযোগ, এরপর সাব-রেজিস্ট্রারের সামনে তাকে বলা হয়, তিনি সাব-রেজিস্ট্রারের সঙ্গে কী কথা বলবেন তা উপস্থিত ব্যক্তিদের সামনেই বলতে হবে। অর্থাৎ একজন সাংবাদিক সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে স্বাধীনভাবে সাক্ষাৎ করে তথ্য সংগ্রহ করবেন সেই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটিও প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়।

ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এখানেই। একটি সরকারি দপ্তরে সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে কোনো দলিল লেখক সমিতির সভাপতি, সেক্রেটারি কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তির অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক এমন কোনো লিখিত সরকারি নির্দেশনা আছে কি না, সেটিই এখন প্রশ্ন।

যদি এমন কোনো বিধান না থাকে, তাহলে সাংবাদিককে ‘অনুমতি নিয়ে’ সরকারি অফিসে প্রবেশের কথা বলা হলো কেন? আর যদি সত্যিই এমন কোনো বিধিনিষেধ থাকে, তার লিখিত আদেশ বা সরকারি পরিপত্র কোথায়?

এই প্রশ্নের উত্তর চায় গণমাধ্যমকর্মীরা।

সাংবাদিকের সরাসরি অভিযোগ, ঘিওর সাব-রেজিস্ট্রার সর্মিলা আহমেদ শম্পার প্রত্যক্ষ প্রশ্রয় ও নিয়ন্ত্রণেই অফিসে একটি কথিত সিন্ডিকেট কার্যকর রয়েছে। তার দাবি, অফিসের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে সাংবাদিকরা যাতে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে না পারেন, সে জন্য কিছু দলিল লেখক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিকে সামনে রেখে একটি বলয় তৈরি করা হয়েছে।

ঘিওর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতির বর্তমান নেতৃত্ব নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। অভিযোগ রয়েছে, প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন বা অনুমোদনের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে মৌখিকভাবে সভাপতি-সেক্রেটারি নির্ধারণ করে একটি পক্ষ অফিসে প্রভাব বিস্তার করছে।

এই কমিটি কার অনুমোদনে পরিচালিত হচ্ছে? তাদের বৈধতার ভিত্তি কী? সরকারি কোনো পরিপত্র বা বিধিমালা অনুযায়ী তাদের দায়িত্ব ও ক্ষমতার সীমা কতটুকু?

সাংবাদিকের কাজ হলো জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়া এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করা। কোনো সাংবাদিক ভুল তথ্য দিলে বা নিয়ম লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু একজন সাংবাদিককে অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিজেরা জিজ্ঞাসাবাদ করবেন, পরিচয় যাচাই করবেন কিংবা সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করবেন এমন পরিস্থিতি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত নীতির জন্য উদ্বেগজনক।

বিশেষ করে অভিযোগের বিষয় যখন সরকারি রাজস্ব, ভূমি নিবন্ধন, দলিল সম্পাদন ও সাধারণ মানুষের সেবা পাওয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত, তখন স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা আরও গুরুত্বপূর্ণ।

ঘিওর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস নিয়ে অনুসন্ধানে সরকারি নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় হচ্ছে কি না, দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হচ্ছে কি না, দলিল লেখকদের অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে কি না, নির্দিষ্ট দলিল লেখকের কাছে গ্রাহককে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে কি না এসব বিষয় যাচাই করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে দলিলে জমির প্রকৃত মূল্য গোপন বা কম দেখানো, জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে রাজস্ব কমানোর চেষ্টা, ভুয়া বা জাল কাগজপত্র ব্যবহার, মালিকানা যাচাইয়ে গাফিলতি, একই জমি একাধিক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর, সরকারি বা খাস সম্পত্তি নিয়ে অনিয়ম এবং রেজিস্ট্রির পর নথি বা নকল সরবরাহে অযৌক্তিক বাধার অভিযোগও খতিয়ে দেখা দরকার

ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাশিতা-তুল ইসলামকে সাংবাদিকের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, গণমাধ্যমের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়া কাম্য নয়। বিষয়টি তাকে জানানো যেতে পারে। সাংবাদিকের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে থাকলে তা দুঃখজনক বলেও তিনি মন্তব্য করেন।পাশাপাশি তিনি বলেন ঘিওরো উপজেলায় একটিমাত্র সাব রেজিস্

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির