“সিলেট-১আসনে গণঅধিকার পরিষদের এমপি পদপ্রার্থী আকমল হোসেন।”
ইফতিয়াজ সুমন জেলা প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেট-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা যে যার মতো প্রস্তুতি শুরু করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম আলোচিত নাম আকমল হোসেন যিনি বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় সদস্য ও প্রবাসী অধিকার পরিষদের যুক্তরাজ্য সহ সভাপতি এবং কটন ফুটবল ক্লাব ক্যামব্রিজ যুক্তরাজ্য সেক্রেটারি একজন পরীক্ষিত জননেতা হিসেবে দলীয় মহলে সুপরিচিত।
দলীয় প্রতীক ট্রাক নিয়ে নির্বাচন করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে আকমল হোসেন বলেন, “সারাদেশের মানুষ এখন একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের অপেক্ষায়। আগামী জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হবে এই বিশ্বাস থেকেই আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণের ভোটাধিকারের পক্ষে রাজপথে আছি।”তিনি বলেন, “৫ আগস্ট দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের সূচনা হয়েছে। এখন সময় এসেছে পরিবর্তনের। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে আমরা নতুনভাবে স্বপ্ন দেখছি।”তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন,“ইতোমধ্যে কয়েক উপজেলায় বিশাল জনসভা করেছি এবং খুব শিগগিরই প্রতিটা উপজেলা সমাবেশ করবো। গ্রামপর্যায়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন,গভীরভাবে জনগণের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছি। ঘরে ঘরে গিয়ে গণঅধিকার পরিষদের অবস্থান,
নুরুল হক নুরের নেতৃত্ব এবং গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার কর্মসূচি তুলে ধরছি। নতুন ভোটারদের প্রসঙ্গে
আকমল হোসেন বলেন, “দলের সভাপতি নুরুল হক নুর দীর্ঘদিন ধরে দেশের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আজ দেশের যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষ ভোট দিতে চায়,পরিবর্তন চায়। তরুণ ভোটাররা যেন ভয়হীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারে,এই স্বাধীনতার জন্যই নুরুল হক নুর সংগ্রাম করে যাচ্ছেন।” দলের প্রতি নিজের রাজনৈতিক অঙ্গীকার তুলে ধরে
আকমল হোসেন বলেন, “আমি ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা একজন তৃণমূল কর্মী। আমি রাজনীতি থাকা অবস্থায়ও সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম। আমার অভিজ্ঞতা, নীতিশিক্ষা ও জনগণের ভালোবাসা নিয়েই আমি আগামী নির্বাচনে ট্রাক প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি।”সাক্ষাৎকারের শেষভাগে তিনি বলেন, “আমার নির্বাচনী এলাকার সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি দোয়া চাই, ভালোবাসা চাই এই গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে আপনাদের সঙ্গেই আমার এগিয়ে যাওয়া।
Leave a Reply