1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
“বন্ধু মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৩য় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পিং সম্পন্ন” ঘোড়াঘাটে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকদের মুখে খুশির হাসি। বালিয়াকান্দিতে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন” বদলগাছীতে ভিপি সম্পত্তি নিয়ে সংঘর্ষ, ৫ দিন পর আহত মাসুদ রাজশাহী মেডিকেলে মৃত্যু জাবির ২১ হলে কম্পিউটার দিল জাকসু, ভবিষ্যতে ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা “দক্ষিণখানে সড়ক দুর্ঘটনায় আন-নাহদা মডেল মাদরাসার ৩ ছাত্রী আহত” ধনবাড়ীতে ” নগদ উদ্যোক্তা সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা -২০২৬” অনুষ্ঠিত” মানিকগঞ্জে ঘিওরে ড্রেজার লিমনের দাপটে হুমকি মূখে বাজার ও কৃষি জমি। বিশ্ব কবিমঞ্চের নানান আয়োজনে সৈয়দ মুজতবা আলীর ১২২তম জন্মবার্ষিকী পালন ঘোড়াঘাটে জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বৃদ্ধ আব্দুল কুদ্দুস প্রয়োজন সরকারের সাহায্য ও সহযোগিতা ।

“‎তিস্তার পানি বাড়ায় সুন্দরগঞ্জে নদী ভাঙ্গন শতাধিক পরিবার নিঃস্ব”

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ৪৯ জন দেখেছেন

“‎তিস্তার পানি বাড়ায় সুন্দরগঞ্জে নদী ভাঙ্গন শতাধিক পরিবার নিঃস্ব”

‎ফিরোজ কবির উপজেলা প্রতিনিধি সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)

‎গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর পানি হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে ভয়াবহ নদীভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গত ১৫-২০ দিনের ব্যবধানে দেড় শতাধিক পরিবারের বসতবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়ে দুই শতাধিক একর ফসলি জমি ধ্বংস হয়ে গেছে। নদীভাঙ্গনের আশঙ্কায় রয়েছে হাজারো পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শত শত একর ফসলি জমি।

‎ভাঙ্গন ঠেকাতে জিও ব্যাগ, জিও টিউব ও ব্লক ফেলেও তেমন ফল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। প্রতিদিনই নদীর পাড় ধসে পড়ে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তিস্তাপাড়ের সাধারণ মানুষ।

‎সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার কাপাসিয়া, শ্রীপুর ও হরিপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চলে নদীভাঙ্গনের ভয়াবহতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে লালচামার, চরিতাবাড়ী ও কানি চরিতাবাড়ী গ্রামে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরিবারগুলো তাদের ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। পানি বেড়ে যাওয়ায় চরের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।

‎প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের মানুষ নদীভাঙ্গনের আতঙ্কে দিন কাটায়। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

‎লালচামার গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মমিনুল জানান, সামান্য পানি বাড়লেই ভাঙ্গন শুরু হয়। ইতোমধ্যে আমাদের বাড়িঘর, ফসলি জমি সবকিছু নদীতে চলে গেছে। সরকারি ভোরের পাখি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ শতাধিক বিঘা জমি হুমকির মুখে রয়েছে।

‎চরিতাবাড়ী গ্রামের হোসেন আলী বলেন,আমার জীবনে ১২ বার নদীভাঙ্গনে নিঃস্ব হয়েছি। আর পারছি না এই কষ্ট সইতে।

‎কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জু মিয়া জানান,উত্তর লালচামার গ্রামে তিস্তার তীব্র ভাঙ্গনে শতাধিক পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়েছে। স্কুল, মসজিদসহ বহু স্থাপনা হুমকির মুখে। সরকারি সহায়তা খুবই সীমিত, মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে।

‎তিস্তা তীরবর্তী মানুষের দাবি, অবিলম্বে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে নদীভাঙ্গন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক। তা না হলে প্রতিবছর এভাবেই তারা সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির