1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সারাদেশে দ্বিতীয়! জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬ অর্জন করলেন লালপুরের রায়হান” নেত্রকোনায় পাঁচ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস ৩০ পরীক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ নয়, জেলার সামগ্রিক পাসের হারও ৫০ শতাংশের নিচে।  ঘোড়াঘাটে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে র‌্যালি চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় “দক্ষ যুবসমাজ গড়ার প্রত্যয়ে খাগড়াছড়িতে জাবারাংয়ের উদ্যোগে জাতীয় যুব দিবস পালন খাগড়াছড়িতে উদ্যোক্তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত” খাগড়াছড়িতে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন” খাগড়াছড়ির আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটিতে এমপির প্রতিনিধি অংগ্য মারমা” “মনোহরদীতে খতমে নবুওয়াত মহাসম্মেলনে ইমাম-উলামা-ত্বলাবা পরিষদের ফ্রি শরবত বিতরণ” এইচএসসি ফলাফল: ব্যর্থ কারা—শিক্ষার্থী, নাকি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা? নতুন নেতৃত্বে বৌদ্ধ যুব সংঘ, ১৫ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

“দুমকির খাল-বিলে অবাধে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার: দেশীয় মাছের অস্তিত্ব হুমকিতে”

  • আপডেট : শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬১ জন দেখেছেন

“দুমকির খাল-বিলে অবাধে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার: দেশীয় মাছের অস্তিত্ব হুমকিতে”

এস,এম, ইয়াছিন শামীম (দুমকি উপজেলা প্রতিনিধি)

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার বিভিন্ন খাল-বিল, নদী ও জলাশয়ে অবাধে ব্যবহৃত হচ্ছে সরকার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, সুতিজাল, ম্যাজিক জাল, চায়না রিং জাল, ভেসাল ও বেহুন্দি জাল। এসব নিষিদ্ধ উপায়ে পোনা মাছসহ নানা জলজ প্রাণী নির্বিচারে শিকার করা হচ্ছে, যা দেশের মৎস্যসম্পদের জন্য ভয়াবহ হুমকি তৈরি করছে।

স্থানীয় মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুম শুরু হলে দেশি মাছের প্রজনন সময় হওয়ায় পানির প্রবাহে এসব মাছ ডিম ছাড়ে। কিন্তু নিষিদ্ধ জাল দিয়ে আগে ভাগেই ডিম ছাড়ার আগেই পোনা মাছ ধরে নেওয়া হয়। এতে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন প্রক্রিয়া চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলার নতুন বাজার, পীরতলা বাজার, বোর্ড অফিস বাজারসহ বিভিন্ন হাটবাজারে প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে এসব জাল। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে এসব নিষিদ্ধ জাল দেদারসে বিক্রি করে আসছে। এছাড়া কিছু অসাধু ব্যক্তি মাছ ধরতে সরাসরি বিদ্যুৎ শকও ব্যবহার করছে, যা শুধু অবৈধই নয়, বরং পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

এদিকে, খাল-বিল দখল, পুকুরের পানি সেচে ফেলা ও কৃষিজমিতে অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহারে ধ্বংস হচ্ছে জলজ প্রাণীর আবাসস্থল। ফলে এক সময় যেসব দেশি মাছ ছিল গ্রামবাংলার ঘরে ঘরে, সেগুলো এখন বিলুপ্তির পথে। শোল, গজার, বোয়াল, পাবদা, আইড়, পুটি, খলসে, বাইলা, টেংড়া, টাকি, ভেটকি প্রভৃতি দেশি মাছ এখন দুর্লভ হয়ে উঠেছে।

দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (দায়িত্বরত) মো. মাহফুজুর রহমান জানান, “আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। সম্প্রতি বেশ কিছু অবৈধ জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। তবে একার পক্ষে এই কাজ সম্ভব নয়, এজন্য সকলের সচেতনতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, “মৎস্য কর্মকর্তাকে নিয়মিত অভিযানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু নিষিদ্ধ জাল বাজার ও খালবিল থেকে জব্দ করে প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের অবস্থান কঠোর।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এখনই যদি এই অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার না করা হয়, তবে অদূর ভবিষ্যতে গ্রামীণ জনগণের প্রাণের অংশ দেশি মাছ চিরতরে হারিয়ে যাবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির