“দুর্গাপুরে ওয়াজেদ হত্যা মামলায় প্রধান দুই গ্রেফতার”
সাখাওয়াত হাসান (বিজয়) দূর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি
রাজশাহীর দুর্গাপুরে ওয়াজেদ হত্যা মামলায় প্রধান দুই আসামীকে নাটোর থেকে গ্রেফতার
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় (১০ আগষ্ট) দুপুর একটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওয়াজেদ আলী কে চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন।
নিহত ভিকটিম এর স্ত্রী বাদি হয়ে দূর্গাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব ছায়াতদন্ত শুরু করে ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। (১২ আগষ্ট) দিবাগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে র্যাব-৫ সিপিএসসি রাজশাহী, ও র্যাব-সিপিসি-২ নাটোর ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল নাটোর সদর থানাধীন বনবেলঘড়িয়া বাইপাস এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অন্যাতম আসামীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
নাটোর সদরের বন বেলঘরিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় মামলার অন্যতম আসামী আবুল ফজলের পুত্র ওমর ফারুক আঃ জলিলের ফরহাদ কবির (১২ আগষ্ট) দিবাগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে র্যাব-৫ সিপিএসসি রাজশাহী ও র্যাব-৫ সিপিসি-২ নাটোর ক্যাপের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গত রোববার (১০ আগষ্ট) সকালে ওয়াজেদ আলী তার ছেলেকে নিয়ে হোজা বিলের পশ্চিম পাশে তাহার পান বরেজ এ কাজ করছিলেন।এসময় ফরহাদ, ওমর ফারুকসহ ৩০/৩৫ জন দলবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা, লোহার রড হাসুয়া ও রামদা দিয়ে ওয়াজেদ আলীর উপরে অতর্কিত হামলা চালান।
এসময় তিনি গুরুতর আহত হয় ও রক্তাক্ত জখম হয় ও ওয়াজেদ আলীর ছেলে মাসুম ও তাহার স্ত্রী মোছাঃ লাইলী বেগম আহত হয়। স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিদের উদ্দার করে দূর্গাপুর চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দুইজন কে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো করা হয়।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (১০ আগষ্ট) দুপুর একটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওয়াজেদ আলী কে চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন।
ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি চলমান আছে।গ্রেফতারকৃত আসামীদের রাজশাহী জেলার দূর্গাপুর থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
Leave a Reply