“সুন্দরগঞ্জে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে এগিয়ে মাহমুদুল ইসলাম প্রামানিক মাহমুদ”
ফিরোজ উপজেলা প্রতিনিধি সুন্দরগঞ্জ গাইবান্ধা
আসন্ন ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ধানের শীষ প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে এগিয়ে আছেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম প্রামানিক মাহমুদ।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নিবেদিতপ্রাণ ও কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে তৃণমূলের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে দেখা যায়, দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণের মধ্যেও তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। অনেকে তাকে ধানের শীষের এমপি প্রার্থী হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
অষ্টম শ্রেণীতে পড়াকালীন ছাত্রদল থেকে রাজনৈতিক জীবনের সূচনা করেন মাহমুদুল ইসলাম প্রামানিক। এরপর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বারবার জ্বেল-জুলুম, হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হলেও দলকে সুসংগঠিত করতে তিনি ভূমিকা রেখে আসছেন। সাজানো মিথ্যা হত্যা মামলার আসামি হয়েও আন্দোলন-সংগঠনে ছিলেন সক্রিয়।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়ন এবং ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কর্মীবান্ধব এ নেতা দলের যেকোনো সমস্যায় সর্বপ্রথম ছুটে যান। পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসা ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে সহযোগিতা করা, এতিম শিশুদের পড়াশোনার দায়িত্ব গ্রহণসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
মনোনয়ন প্রত্যাশী মাহমুদুল ইসলাম প্রামানিক বলেন, দল যদি আমাকে মূল্যায়ন করে জনগণের ভোটে এমপি নির্বাচিত হতে পারি, তবে আমি জনগণের হকের একটি টাকাও গ্রহণ করব না। আমার অঙ্গীকার বেকারত্ব দূরীকরণ, সুস্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ, নদীভাঙন রোধ, নারীদের কর্মসংস্থান, যুবকদের জন্য প্রশিক্ষণ সেন্টার, খেলাধুলার জন্য মিনি স্টেডিয়াম এবং পূর্বাঞ্চলে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ, শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ কাজের ব্যবস্থা করবো।
তিনি আরও বলেন, আমি গ্রামের ছেলে, গ্রাম থেকেই বেড়ে ওঠা। জনগণের দুঃখ-দুর্দশা আমি খুব কাছ থেকে জানি। তাই তাদের সমস্যার সমাধানে কাজ করাই আমার প্রধান অঙ্গীকার।
বর্তমানে তিনি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব, গাইবান্ধা জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির জেলা সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি একজন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে শিক্ষা খাতে অবদান রেখে চলেছেন।
মানুষ গড়ার এই কারিগর কে সুন্দরগঞ্জের সর্বস্তরের জনগণ মনে করেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ এই নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে আগামী দিনে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায় তারা।
Leave a Reply