“গাইবান্ধা সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা দায়ের”
ফিরোজ কবির উপজেলা প্রতিনিধি সুন্দরগঞ্জ
গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ৮নং ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের বজরা হলদিয়া গ্রামের মৃত নাইব উদ্দিনের ছেলে সুলতান আলী গং বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালত সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা আদালতে গত ১৪-০৫-২০১৫ ইং তারিখে একটি অস্বত্ব বাটোয়ারা হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। যার নং ৯৫/২০১৫ইং।মামলা সূত্রে জানা যায় বাদী এবং বিবাদীর সঙ্গে তাদের ওয়ারিশের কোন সম্পর্ক নেই। বিবাদী মৃত আব্বাস আলীর ছেলে সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম আকন্দকে আগ্রুমেন্ট/জেরা এর জন্য গত ০৮-০৯-২০২৪ ইং তারিখে বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালতে উপস্থিত হয়ে বাদীর সিনিয়র অ্যাডভোকেট শ্রী পরেশ চন্দ্র বর্মন বিভিন্ন ধরনের জমি জমার সংক্রান্ত ব্যাপারে প্রশ্ন করলে সঠিক প্রশ্নের জবাব দেন। তারপর গত ৩০-০৭-২০২৫ইং তারিখে বাদীর এবং বিবাদীর সিনিয়র অ্যাডভোকেট দের যুক্তিতর্কের মাধ্যমে শুনানি বিজ্ঞ আদালত শেষ করেন এবং বিজ্ঞ আদালত ০৪-০৮-২০২৫ ইং তারিখে রায় ঘোষণার কথা বলেন।বিবাদী মোঃ শহিদুল ইসলাম এর বক্তব্য অনুযায়ী সি/এস ২৬৪ নং খতিয়ান ভুক্ত ৩.৪২ একর জমিতে সি/এস প্রজা মশর উল্যা।।, বেঙ্গু শেখ,জমির শেখ,কফিল শেখ,গেন্দা শেখ,ইমান শেখ প্রত্যেকে /১।।৯ অংশে দেলজান বেওয়া /. অংশে মানিকজান বিবি ১০দ৫ অংশে স্বত্ববান ও দখলকার থাকা কালে নালিশী জোতের সমুদয় অংশে বিবাদীগনের মৌরশ আব্বাস আলীর নিকট হস্তান্তর করায় আব্বাস আলী নালিশী ১ আনা জোত জমিতে স্বত্ববান ও দখলকার হয়ে নালিশী জোতের মধ্যে রহিমা খাতুনকে .৫৬ শতক ও তছর উদ্দিন মুন্সিকে .৩৩ শতক জমি বরাবরে পত্তন প্রদান করায় – তছর ও রহিমা খাতুনের নিকট হতে খাজনা গ্রহণ করে পত্তন সূত্রে হস্তান্তর করলে রহিমা খাতুন নামে আর/এস ৩৩০,তছর উদ্দিন মুন্সির নামে আর/এস ৩৩১ এবং আব্বাস আলীর নামে আর/এস ৩৩২ নং খতিয়ান যথারীতি শুদ্ধভাবে প্রস্তুত হয়েছে।নালিশী জোতের মধ্যে ৩.৪২ (৫৬+৩৩) =২.৫৩ একর জমিতে বিবাদীর মৌরশ আব্বাস আলী আকন্দ নিরঙ্কুশ স্বত্ববান ও দখলকার থাকাকালে আব্বাস আলী নালিশী জোতের (৫৬+৩৩)=৮৯ শতক জমি বাবদ ২৮.৯১ খেসারত গ্রহণ করে নিজাংশে অবশিষ্ট ২.৫৩ একর জমিতে আব্বাস আলী স্বত্ববান ও দখলিকার থাকাকালে আব্বাস আলী মারা গেলে এই বিবাদীগণ ওয়ারিশমূলে স্বত্ববান দখলিকার থাকে এবং নালিশী জোতে ২.৫৩ একর জমির খাজনা যথারীতি পরিশোধ করে আসছেন। ১৩নং বিবাদী রওশন আলী আকন্দ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌ: কা: বি: মতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় ৩৫৮/১৫ নং একটি পিটিশন মোকদ্দমা দায়ের করলে এই বিবাদীর দখল প্রমাণিত হওয়ায় অত্র মোকদ্দমায় বাদীগণকে নালিশী জমিতে প্রবেশে বারিত করে অত্র মোকদ্দমায় বাদীগনের বিরুদ্ধে প্রসেডিং ড্রন করা হয়।পরবর্তীতে বাদী সুলতান আলী বিবাদী গনের বিরুদ্ধে একই আদালতে ৫৭/১৬ নং পিটিশন মোকদ্দমা দায়ের করেন।তাতে ও এই বিবাদীর দখল প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তা নথিজাত/খারিজ করেন। বাদীগণ প্রকৃত সত্য গোপন করে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে বিবাদীর দাবি জমির সঠিক কাগজপত্র পর্যালোচনা করে ন্যায় বিচার করার জন্য এবং রায় প্রকাশের জন্য জনাব রিপন হোসেন বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত সুন্দরগঞ্জ গাইবান্ধা কে অনুরোধ করেন।
Leave a Reply