1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
“বন্ধু মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৩য় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পিং সম্পন্ন” ঘোড়াঘাটে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকদের মুখে খুশির হাসি। বালিয়াকান্দিতে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন” বদলগাছীতে ভিপি সম্পত্তি নিয়ে সংঘর্ষ, ৫ দিন পর আহত মাসুদ রাজশাহী মেডিকেলে মৃত্যু জাবির ২১ হলে কম্পিউটার দিল জাকসু, ভবিষ্যতে ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা “দক্ষিণখানে সড়ক দুর্ঘটনায় আন-নাহদা মডেল মাদরাসার ৩ ছাত্রী আহত” ধনবাড়ীতে ” নগদ উদ্যোক্তা সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা -২০২৬” অনুষ্ঠিত” মানিকগঞ্জে ঘিওরে ড্রেজার লিমনের দাপটে হুমকি মূখে বাজার ও কৃষি জমি। বিশ্ব কবিমঞ্চের নানান আয়োজনে সৈয়দ মুজতবা আলীর ১২২তম জন্মবার্ষিকী পালন ঘোড়াঘাটে জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বৃদ্ধ আব্দুল কুদ্দুস প্রয়োজন সরকারের সাহায্য ও সহযোগিতা ।

“অভিযোগ সত্ত্বেও বহাল আওয়ামী-লীগ নেতা ইউপি সদস্য বাবুল দেওয়ান”

  • আপডেট : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬৫ জন দেখেছেন

“অভিযোগ সত্ত্বেও বহাল আওয়ামী-লীগ নেতা ইউপি সদস্য বাবুল দেওয়ান”

ইমরান আল রাফি, বিশেষ প্রতিনিধি

ঢাকার কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) মো. বাবুল দেওয়ান বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলায় আসামি হলেও এখনো বহাল তবিয়তে জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন—একজন আসামি ও আওয়ামীলীগের নেতা হয়েপ
কীভাবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্বে থাকতে পারেন?

জানা গেছে, ২০২৪ সালে ছাত্রহত্যার সাথে জড়িত ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় বাবুল দেওয়ানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের হয়। ঢাকা জেলা ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে কিছুদিন কারাগারে থাকলেও পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পান এবং আবার ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে সক্রিয় হয়ে ওঠেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাবুল দেওয়ান দীর্ঘদিন ধরে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদের ঘনিষ্ঠ ও তেঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লাট মিয়ার আস্থাভাজন বলেও পরিচিত। এ দুইজনের ছায়াতলে থেকে তিনি প্রভাবশালী অবস্থান তৈরি করেছেন।

একজন দোকানদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,“বাবুল ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল, সবাই জানে। কিন্তু উনি আবার ফিরে এসে আগের মতই সবকিছু চালাচ্ছেন। যেহেতু উপরে তার লোক আছে, কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না।”

তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা চাই, যারা ইউনিয়ন পরিষদে থাকবে, তারা যেন সৎ ও নির্ভেজাল হয়। মামলাবাজ বা দোষী লোক দিয়ে কি ইউনিয়নের উন্নয়ন সম্ভব?”

এলাকাবাসীর বড় একটি অংশ মনে করে, একজন আওয়ামীলীগের নেতা
ইউনিয়ন পরিষদের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে আইন ও নৈতিকতার পরিপন্থী আচরণ করছেন। এতে করে জনসাধারণের মধ্যে আইনের শাসনের প্রতি আস্থা কমছে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোনে বাবুল দেওয়ান বলেন, আমি এখনো মেম্বার আছি এটা UNO মেডামকে জিগাস করেন। আর বেশি কিন্তু জানতে চাইলে লাট চেয়ারম্যান ইটভাটার অফিসে আইসেন আমি চেয়ারম্যান সাথে সারাদিন থাকি।

এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিনাত ফোজিয়া কে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির