“ভূঞাপুর বালু মহল নিয়ন্ত্রণ মুদ্রার এপিট ওপিট”
যমুনা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন যৌথ ভাবে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির নেতারা মিলে মিশে
মো: শাহাদত হোসেন উপজেলা প্রতিনিধি ভুয়াপুর টাঙ্গাইল
সোনা খ্যাত ভূঞাপুরের বালু উত্তোলন ও বিক্রি ব্যবসায় পতিত আওয়ামী লীগের সাথে মিশে একাকার হয়ে গেছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। কথিত আছে ভূঞাপুরের চার খলিফা এই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। আর মাঠে রয়েছে আওয়ামী লীগ আমলের ব্যবসায়ীরা। আর ব্যবসার একটি অংশ বিএনপির সিনিয়র নেতাদের কাছেও যায় বলে জানিয়েছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী। জানা যায়, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ১৬ বছরে দলীয় নেতা-কর্মীরা অবৈধভাবে ভূঞাপুরের প্রায় ২০-২৫ টি ঘাট থেকে বালু উত্তোলন করত। আর এই কাজে তাদের নেতৃত্ব, সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা বিধান করত টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোটমনির। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পর ছোটমনিরের স্থানে অবস্থান নেন বিএনপির উপজেলা
ঘাট। স্থানীয়রা জানায়, আওয়ামী লীগ আমলে যারা অবৈধভাবে বালু ঘাটগুলো চালাতো, ২/১ জন বাদে সবাই এখনো তাদের ঘাট চালায় বিএনপি নেতাদের সাথে মিলে। তারা জানায়, জুরান মন্ডল নিকরাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। তার চাচাতো ডাই জাহাঙ্গীর মন্ডল ও আলম মন্ডল বিএনপি করে। এখন তারা মিলেমিশেই বালু ঘাট চালায়। ভূঞাপুর উপজেলা বিএনপির একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোমিন সরকারের টাকা নিয়ে তার সাথে ব্যবসা করছে আলম মন্ডল। ভূঞাপুরের সাবেক মেয়র মাসুদুল হক মাসুদের খুবই ঘণিষ্ট ছিল পাভেল নামের এক বালু ব্যবসায়ী। নিকরাইল ইউনিয়নের বিএনপি নেতা আকবর প্রামাণিক ও মোজাফফর প্রামাণিক পাভেলের টাকা দিয়ে তারই ঘাট চালায় ও ব্যবসা থেকে লাও ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়।
লীগ নেতাদের সাথে মিলেমিশে বালু ঘাট পরিচালনার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেন। তিনি বিষয়টিকে স্থানীয় ব্যাপার ও তাদের যদি জায়গা জমি থাকে তারা তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে। বিএনপি কাউকে সেন্টার দেয় না। হয়ত বিএনপি কাউকে ডিস্টার্ব করে না। এসময় তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, আওয়ামী ও বিএনপির চরিত্র এক না। এসময় তিনি আরো বলেন, কেউ যদি বিপদে পরে আমার কাছে আসে, আমি তার পাশে থাকতেই পারি। পরে বলেন, আপনারা দেখবেন আমার নামে কোন ঘাট আছে কিনা? বিষয়টি সম্পর্কে ভূঞাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড, গোলাম মোস্তফা বলেন, আমাদের দলের নেতাকর্মীরা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের সাথে মিলে মিশে বালু ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ। করছে বা ব্যবসা করছে, এরকম অভিযোগ উঠে এসেছে
Leave a Reply