“অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে আরবি জ্ঞান চর্চার প্রেক্ষাপট”
অর্থনীতি একটি দেশ বা জাথির মূল চালকাশাস্ত্রেক্টর মধ্যে। অর্থনীতিটিক স্যামড্রি ব্যতীত কোন জ্যাটির সামগ্রিক উন্নয়ণ অসীম। অর্থনীতিটি সিমদির স্রোতের সাথে জগতে বিশমেড়ল গড় আসছে। বাংলাদেশ একটি একটি উত্তরণশিল মিস্তার অর্থনীতি দিস্তার। আর তাই এডেজের অর্থনীতিটি প্রবিঢ়তর পেছনে ফিরে আসা দারিত। পর্যাপ্তভাবে খাদগোলো হল-গার্মেন্টস, সেবা ও বংশানুপাতা খাতা। সাধারণত গার্নেন্টস সেক্টরকে আমরা সর্বোচ্চ বরিশেদী মাদ্রানা সম্মানকারী হিসাবে মনে হয় কর। আস্তিত হচ্ছে, গার্মেন্টস খেতের টাকা কানচামাল আমদানি ও অন্যান্য শুভগ্রাগিক খর্জিত হয়, তা বুদে দেটি দেখা যায়, অভিবশ্য কর্মীদের পাঠ্যো বৈদেশিকিক মুদ্রা থেকে রেমিটেন্স অজুন গার্টিন্টস খাত থেকে অনেকে তুইগি বেশি। ফলেই এ থাকুন নিঃসন্দেহে সত্যই, বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় এলাকা অংশ প্রোভাসীদের রেমিটেন্স থেকে এসেএসইর। তাই খাদ সরকারের রেকাজু এবং তদারকি এডেজের অর্থনীতি অর্জনে আরও বেশি পি। দয়ানা মহামারী সময় পুরো বিশ্ব অর্থনীতিপূর্ণ মোনদীকে পটুয়া হয়। বাংলাদেশ ও তার ব্যতিক্রম নয়। তারপর বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বামীর, সে কঙ্ক সময় এবং রিজার্ভের রেকর্ড সংখ্যা অর্থ মজুদ হলে। বিদায়িক মাদরার মজুদ একটি দেশকে অর্থনীতিটিকে এক ধরনের সংরক্ষণের প্রস্তুতি। যেকোনাকালিনের প্রতিরক্ষা কেনিং সামগ্রীর নিরাপত্তার বিবিচনায়িত তিনিহের। সমন রিজার্ভ বা মজুদ রাহা। বাংলাদেশ একটি দারতিযোণ দাদ হোয়ায় বন্যা, সিডর, আইলাসহ নাচুধিক প্রাক্টিকিক বাসা বাড়তি ক্ষমাপ্রার্থী হয়ে যায়। আর এস্টিকাল সময়ও এখানে রিজার্ভের সময় দৃশ্যমান হয় না। বাংলাদেশ রিজার্ভ সীমানা স্থানান্তরস্থ অবস্থান থামাতে। যাঁরা অংশে বর্ধান উপস্থিত ছিলেন প্রবাস্সিসের পাঠ্যো রেমিটেন্স এর। রিজার্ভ রক্তচাপ শশ কিছু সূস আছে। বর্তমানে রিজার্ভ এর সর্বসাধারণের বড় জালে নিয়েছে প্রবাসি আ। গ্রেট জুলাই-সেপ্টেম্বর মাসে এ আঠালো পায়ে পায়ে 46 শতাংশ। এবার মহামারীর কারণে বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত ব্যবস্থা বিধানশালী সহায়তা এসেছে। যাঁরা সিংহভাগে এগুলি মধ্যপশ্ভ্যাভ্যভাকী দেশগুলিতে থেকে। বাংলাদেশের অর্থনীতিক সমাধি ও বহিস্ত্বক মাদরাগনে বড় অবদানে রেখে চলছে মধ্যপশ্ভর দেশগুড়ি। আর বাংলাদেশে অভিবশ্যে বিচারী মধ্যপশীদ্বারা দেশগুলোতে স্থায়ী হয়। প্রতিক্রিয়া 90 শতাংশ প্রবাসী রেমিটেন্সস পানিসের শুভি আরবসহ অন্যান্য আর্জেভাইভদী দেশন থেকে। উইকিপিডার তথ্যমতে মধ্যপ্রাচ্যের বশে। বাংলায় সঞ্জিত টেকনিশিয়ান, গহস্থালী কর্মী, শমিক, ইজিজিয়ায়ার, ডাক্তার কিংবা রোগী হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে গেইসে। শুধু শুভি আরম্ভে 1.২ মিলিয়ন বাংলাদেশের স্থায়ী বসবাস করে। ওদি আরব ছাড়াও কুয়াতা, কাতার, বহরাইন, ওমান, ইয়েমেন, সিরিয়া, লেবাননে প্রবুর উপরিভাগ বাংলা বসবাস করে। সেখানে বাংলাশেশীয়দের বিধান কর্মী হিসাবে ধাঁধা হয়। অসম্মতি ফ্যামিলি রেমনিটেন্স দিবস উপসাগরীয় আইওম প্রবাসি আয়রন। নির্ভরশীল এক হাজার পরিবার সঙ্গে কথা বলা একটি গবাদি দ্রব্য প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, শুধুমাত্র দক্ষতা বিষদির কাজ বগী দশতম বছর প্রবাসি ক্ষেত্রে আছে মাসিক ২50 ডলার। গৃহীত আরো বলছে যে, প্রবাসী বাংলাদেশীয়দের 98 শতাংশ ই। যাদ 1 দিন শাংশ একরেই স্কুলে যায়নি। আর AR 80 শানংশের শিক্ষক হার মানমিক লেভেল পর্যটন। বস্তুগত মোট চারটি সুপেরির কথা বলছে। যার মধ্যে মানসিকভাবে অন্যান্য, প্রবাহিত শমিকদেদের শিক্ষা ও পানিওগি বাইনিয়াগ। আরি ভাষা ভাষাভাষা থাকলে চালে কর্মসম্যাসস্থানে অস্বায়ে বিদ্যুৎ দান আছি। কেননা, পুরো পৃথিবীতে মধ্যপশ্রড়ের দেশ পরে, ইরাক, ইরান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বহরাইন, ওমান, ইয়েমেন, সিরিয়া, লেবানন, জর্ডান সহ প্রয় ২8 টি মনে রাখবেন আরবী। ফলো আরবী ভাষা দক্ষতা থাকলে সহজে এসকর বাসে গেটিউবপরণে অবস্থান জায়গা না উপর সম্ভবত। আরি ভাষা জানা থাকলে কেলেবল শীষিক হিসেবে নয়, দোভাকী, কোটনিতিক, শিক্ষিক, গদি, ব্যবসাজন এবং আন্তূজ্জনক বিভাগ সংস্থার এবং কাজনজনক কাজ বাহু ক্ষেত্র আছি। জাতিসংঘ 1973 সাল 18 ই ডিসেম্বর জাতিসংংশনের ২8 আমি থাকি েভেশনে কারণ দপ্তর ভাষা হিসেবে স্বীকৃত দিন আছে। তারাই চিন্তাভাবনাটি ২01২ সাল ইউনেস্কো সে দিনকে স্মারণ করে 18 ই ডিসেম্বর কে আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস সাপনা করেছেন। মধ্যপশ্চ্র্যাচ পথবীরের সাধারণ সাধারণ সম্পত্তির বিট অংশটি হোয়ায় বাণিজ্যিক। ক্ষতিগ্রস্থ আরবী ভাষায় গুরুত্বপূর্ণ অসাম্যানান। তেল, গাস, নির্মাণ, পর্যবেক্ষক সহ nannabdued ক্ষেত্রের বিবরণ এবং বিনিয়োগ করতে আরি ভাষাভাষার দক্ষতা অন্ধ্যবহারে যেতে পারে। তাইওওও, সাম্প্রতিক সময় মধ্যপশ্চি গুকু সেবেললক শমবাজারে সীমাহীন নয়। তারা এখন সৌজনী ও প্রযুক্তি নির্বিচারে শমবাজারকে খুঁজে পাচ্ছেন। যেখানেই আরবী ভাষা বান্ধবদের বিকল্প থাকবে না। আরি ভাষাভিত্তিক দেশনুনের সাথে ব্যাবসাধনকারী দৈর্ঘ্যের ক্ষেত্রে আরি ভাষা গুরুম্ব্প অপরিশাসনিম। সেই পূর্বীনক্ল থেকে বাংলাদেশের সাথে আরব বিশ্বব্যাপী কার্যসদায়ক থাকলে ভারত- পাকিস্তানি আমাদের come অনেক আগে। কেননা তারা তাদের দেশে সরকার আরজি ভাষা শিক্ষার সাথে। ফলসাট্টিতে তারা ব্য্বোস্যভাবে দ্রুত সরল হচ্ছে। তাই মধ্যপশ্রাকচচচি পুদ এবং সুসম্প্রাক বর্ডার চার্চার বিকল্প নেই। দুনখারের বিষয় হোলো, মুসলিম ওষুধের প্রবল জনসংখ্যা এ দেশে সরাসরি র্যাসি ভাষা শিক্ষা ও চর্চারের জন্য সরকার নতুন নন ভূমিমিকা নেই বললেই চলছে। অনুমোদিত এডেশরি অর্থায়নে পরিচালিত আলিয়া মাদ্রাসা ও বিশ্বব্যাপী আরবী ফলনা করা হয়, তৈতৃা, প্রাপক প্রতি আরবি বিশিষ্ট সরকার কর্মক্ষেত্রেদের নজর না থাকায় এবং শারীরবস্থা পিশাগাস্ত আরবিদের বিষয়বস্তু সিলেবাসভুক্ত না কাজ এসব প্রতিষ্ঠানের হাতের অনুধাবন আরি ভাষায় অগ্রগতির উদ্দেশে তৈরি করা হবে না। কিছু পাঠক বিশ্বব্যাপী এবং জাতি জ্ঞানী থেকে আরবী ভাষা ও সাহিতর ওপর উস্টার ডিগ্রি অর্জনীরাও তারা দক্ষ ব্যক্তিকে রূপান্তরিত হতে পারে না। আমাদের দেশকে আরবী ভাষা বলা হয়েছে, কারণগুলি ব্যাকটিভোগী সব সময় ধর্মীয় দেয়। ব্যাথ বর্তমান বিশ্ব প্রিমিত্তিক ভাষা আরবী ভাষা চরা। প্রথম সারির ভাষাগুর মধ্য আরবি আছে 6 নাম্বার। পৃথিবীবীবী প্রয় ২7.39 কোটি মানুষ আরবী ভাষা কথা বলবে। যার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য ও রব এবং মধ্যপ্রাচুরিতর আরব দেশবোগো প্রোভেনট আরি কারা কথা বলবে। গোটা পৃথিবী বর্তমানের জন্য ২২ দেশীয় অবস্থা হলো আরবী। এখানাটি বর্তমানের মুমসুলিম দেশব্যায়ো আরবী ভাষা ব্যবহার বাড়ানো হয়। জাতিসংঘ, আফ্রিকান ইউনিয়ন, উকিসিস অসংখ্য আন্তরজাতিক সংস্থার ফায়ারফিল ভাষা হলো আরবী। সার্বিক দল বিবিচনয় আরবী ভাষাভাষাগুলির একটি ভাষা নয়, বরংটি এটি আন্তূজ্জনক মানের একটি ভাষা। বাংলাদেশ সরকার যদি আরি ভাষা ও সাহিত্রে ডিগ্রি কাজন করা ছবিবীরদীর মধ্যপক্ষের দেশগুণে কাজ করার সুযোগ পৃষ্ঠপোষকতায়, তাহলে, মানো মনে অর্থাত্ দেশে প্রিমিটি যে সব শিক্ষাগত আরবী ভাষা শেখায়া গুরুপাত্বারুপ করছে সেগুও যদি মনে হয় মনে হচ্ছে না। সরকারের আনুমানিক প্রাথমিক শিক্ষা থেকে আর আর্জেম্বিক আরো গুরুম্বসহ অন্তর্নিহিত করা। তারপর আমাদের দেশ রেমিটেন্স ভিত্তিক আয়তনে আসতে বড় পরিবর্তন।
আনাস আল মাহমুদ
আরবী ভাষা ও সাহিত বিভাগ।
সরকারি মাদরাসা-ই আলিয়া, ঢাকা।
Leave a Reply