“মনোহরদীতে বাংলাদেশ জাময়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রচারণায় কাঁচি কাটা ইউনিয়নের বিএনপির সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়”
মো: নাজমুল হাসান, মনোহরদী, নরসিংদী
নির্বাচনী প্রচারণাকালে সংঘটিত সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে গভীর উদ্বেগের মধ্যে ফেলেছে। এ ঘটনায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হঠাৎ করে স্থানিয় বিএনপি সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। এতে আট জনের মত আহত হয় এবং এক জন সংকটাপূর্ন অবস্থায় আছে।
এর ফলে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হলেও হামলার মূল উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বক্তারা বলেন।
নির্বাচনের আগে এ ধরনের সহিংসতা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে সহনশীলতার সীমা ছাড়িয়ে বিপজ্জনক পথে ঠেলে দেয়। এতে শুধু নির্দিষ্ট কোনো দল বা প্রার্থী নয়, পুরো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এই ঘটনার প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী সহ সামাজিক ও নাগরিক সংগঠন তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা একে পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা উল্লেখ করে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনকালীন সময়ে প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও কঠোর ভূমিকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, নির্বাচন এলেই সহিংসতার পুনরাবৃত্তি প্রশাসনিক ব্যর্থতার দিকটিই বেশি স্পষ্ট করে। তারা মনে করেন, শুধু ঘটনার পর প্রতিক্রিয়া নয়—আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণই হতে পারে এ ধরনের হামলা ঠেকানোর কার্যকর উপায়।
নির্বাচন মানেই উৎসব, ভয় নয়—এটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং রাজনৈতিক সহনশীলতা নিশ্চিত করা না গেলে গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের আস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
Leave a Reply