“সৌখিনতা কমছে,ব্যস্ততা বাড়ছে ,জীবন নিয়ে ভাববার সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে”
শেখ কনক হাসান,শিক্ষার্থী,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
মানুষের সৌখিনতা ক্রমে বিলীন হচ্ছে সাদামাটা ১০ তলা কিংবা ২০ তলা ভবনে। এখন আর গ্রামের কুঁড়েঘর কিংবা জমিদারের সেই সৌখিন বাড়ি দেখা যায় না। বেশিদিন নয়,এইতো ঊনবিংশ শতাব্দী আগের শতকের কথা।নির্মাণ করা হতো কার্জন হল কিংবা সোনারগাও এর মত মন মাতানো ডিজাইনের নান্দনিক সব বাসভবন,সেমিনার কিংবা অফিস কক্ষ।
যুগের পরিবর্তন হয়েছে ,রুচিরও পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু এই রুচি মানুষকে এতটাই সাদামাটা করে তুলেছে যে তার মধ্যে সৌখিনতার কোন ছাপ থাকছে না । মানুষ সৌখিন তখনই হয় যখন সে নিজের জন্য সময় বের করতে পারে। আর নিজের জন্য সময় না বের করতে পারা আমাদের জীবন থেকে সৌখিনতা আনন্দ উৎসব এবং ভালোবাসা সবকিছুই কেড়ে নিয়েছে। আমরা একটু পুরনো ইতিহাসের দিকে যদি পর্যালোচনা করি,সেন বংশ,পাল বংশ কিংবা আমরা যদি ওয়ারী বটেশ্বর অথবা মহাস্থান গরের কথা কল্পনা করি নান্দনিক ডিজাইন এবং স্থাপত্যশৈলী আমাদের মধ্যে পূর্বপুরুষদের সৌখিনতার পরিচয় তুলে ধরেছে।
আমার প্রশ্ন হচ্ছে? যদি আজ থেকে অল্প কিছুদিনের ব্যবধানে আমাদের সভ্যতা ,আমাদের সংস্কৃতি মাটি চাপা পড়ে তখন পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমরা কি মেসেজ দিয়ে যেতে পারবো বা আমাদের স্থাপত্য দেখে তারা কি শিখতে পারবে আমাদের রুচি নিয়ে তারা কি প্রশ্ন করবে না?
Leave a Reply