একের পর এক অভিযানে সাফল্য, আলোচনায় লালপুরের এএসআই নাহিদ।
লালপুর(নাটোর)প্রতিনিধি:
চুরির ঘটনার চার দিনের মাথায় উদ্ধার চারটি সাবমারসিবল পাম্প, মোটরসাইকেল চুরির দুই দিনের মধ্যে সেটিও উদ্ধার। দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় তিন আসামি গ্রেপ্তার, পাশাপাশি হারানো ও চুরি হওয়া মুঠোফোন উদ্ধারে সাফল্য। একের পর এক ঘটনায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে অপরাধী শনাক্ত ও চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে ভূমিকা রেখে আলোচনায় এসেছেন নাটোরের লালপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নাহিদ হোসেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ অক্টোবর উপজেলার এমএসকে ইটভাটা থেকে চারটি সাবমারসিবল পাম্প চুরি হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দুজনকে শনাক্ত করে চার দিনের মধ্যে পাম্পগুলো উদ্ধার করেন এএসআই নাহিদ। গত ৪ অক্টোবর দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হোন। এছাড়া গত ২১ সেপ্টেম্বর মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় দুই দিনের মধ্যে সেটি উদ্ধার করেন তিনি। পাশাপাশি হারানো ও চুরি হওয়া মুঠোফোন উদ্ধারে কাজ করছেন তিনি।
লালপুর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সুলতানুজ্জামান টিপু বলেন, চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া এবং উদ্ধার করা মালামাল প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া পুলিশের দায়িত্ব। এ ধরনের তৎপরতা অপরাধ দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
এবিষয়ে এএসআই নাহিদ হোসেন বলেন, মানুষের জানমাল রক্ষা ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা পুলিশের দায়িত্ব। কোনো ঘটনা ঘটলে উর্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় দ্রুত তথ্য সংগ্রহ করে অপরাধী শনাক্ত ও মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা করেন তাঁরা। এ ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় মানুষের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে। এএসআই নাহিদ হোসেন বিভিন্ন ঘটনায় দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও অভিযান পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। এ ধরনের কাজ অব্যাহত রাখতে থানার সব সদস্যকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
Leave a Reply