“ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে “যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন” বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত”
মোস্তফা জাফরি হামিম জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমধর্মী কর্মশালা—”যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন”, যা শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের পেশাগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. শামসুদ্দিন আহমেদ। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসআইপি অ্যাবাকাস প্লাস বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এবং যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিষয়ক অশোকা ফেলো ড. মো. মাতিন আহমেদ।
কর্মশালায় অংশ নেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা, যারা বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কিংবা খণ্ডকালীন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। অংশগ্রহণকারীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয় এক বিশেষ সাক্ষাৎকার পর্ব। এতে ড. মাতিন আহমেদ শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব, যোগাযোগ দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং পেশাগত মনোভাব পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করেন।
তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবই নির্ভর না থেকে বাস্তব দক্ষতা অর্জনের দিকেও মনোযোগী হওয়া উচিত। এমন কর্মশালা শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির মান যাচাই ও উন্নতিতে সহায়ক হবে।”
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, এই ধরনের কর্মশালা তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করেছে এবং ভবিষ্যতের পেশাগত পথচলায় এটি সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রোহানা আফরোজ বলেন, “আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু একাডেমিক শিক্ষায় নয়, বরং বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়ও দক্ষ হয়ে উঠুক। এই কর্মশালা সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি পদক্ষেপ।”
কর্মশালার শেষ পর্বে ড. মাতিন আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং বর্তমান চাকরির বাজারে চাহিদাসম্পন্ন দক্ষতা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পাঠ্যক্রমে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা যেতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের কর্মশালার আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
Leave a Reply