1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সারাদেশে দ্বিতীয়! জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬ অর্জন করলেন লালপুরের রায়হান” নেত্রকোনায় পাঁচ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস ৩০ পরীক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ নয়, জেলার সামগ্রিক পাসের হারও ৫০ শতাংশের নিচে।  ঘোড়াঘাটে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে র‌্যালি চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় “দক্ষ যুবসমাজ গড়ার প্রত্যয়ে খাগড়াছড়িতে জাবারাংয়ের উদ্যোগে জাতীয় যুব দিবস পালন খাগড়াছড়িতে উদ্যোক্তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত” খাগড়াছড়িতে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন” খাগড়াছড়ির আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটিতে এমপির প্রতিনিধি অংগ্য মারমা” “মনোহরদীতে খতমে নবুওয়াত মহাসম্মেলনে ইমাম-উলামা-ত্বলাবা পরিষদের ফ্রি শরবত বিতরণ” এইচএসসি ফলাফল: ব্যর্থ কারা—শিক্ষার্থী, নাকি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা? নতুন নেতৃত্বে বৌদ্ধ যুব সংঘ, ১৫ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

“১৯ বছরেও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই বিএনসিসি কার্যক্রম প্রশ্নের মুখে নিয়মিত ফি আদায়”

  • আপডেট : বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৬০ জন দেখেছেন

“১৯ বছরেও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই বিএনসিসি কার্যক্রম প্রশ্নের মুখে নিয়মিত ফি আদায়”

রুবেল ইসলাম, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড় যুগ পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) কার্যক্রম এখনো চালু হয়নি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিয়মিতভাবে ‘বিএনসিসি ফি’ বাবদ টাকা নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনসিসির কার্যক্রম না থাকা সত্ত্বেও ভর্তি ফি-তে এ খাতের টাকা কেন রাখা হয়েছে তা পরিষ্কার নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এখনো ‘বিএনসিসি ফি’ তালিকায় বিদ্যমান।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৯টি ব্যাচ ভর্তি হয়েছে। প্রতি ব্যাচে গড়ে ১ হাজার শিক্ষার্থী ধরে হিসাব করলে, গত ১৯ বছরে বিএনসিসি ফি বাবদ আদায় করা হয়েছে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা। কিন্তু এর কোনো কার্যকর ব্যয় শিক্ষার্থীরা দেখতে পাননি।

ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী শওকত ইসলাম বলেন,
“ভর্তির সময় থেকে লক্ষ্য করছি বিভিন্ন খাতে ফি নেওয়া হয়, তার মধ্যে একটি হলো বিএনসিসি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনসিসির কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি। তাহলে এই টাকা কোথায় যাচ্ছে? যদি গড়ে প্রতি ব্যাচে ১ হাজার শিক্ষার্থী থেকে ৪০ টাকা নেওয়া হয়, তাহলে প্রায় ৮ লাখ টাকা আদায় হয়েছে—এই টাকার হিসাব কোথায়?”

অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. রাজু আহমেদ এ বিষয়ে বলেন,
“ইউজিসির নির্দেশনা অনুযায়ী বিএনসিসি ও স্কাউটের জন্য ফি নেওয়া হয়। টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টেই জমা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বহনেই খরচ করা হয়। আলাদা কোনো ফান্ড আলাদা করে রাখা হয় না।”

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান এ বিষয়ে ভিন্ন কথা জানান। তিনি বলেন,
“বিএনসিসি বাবদ আদায়কৃত ফান্ড এখন পর্যন্ত কোনো খাতে খরচ করা হয়নি। আমরা আসার পর থেকে রোভার স্কাউট কার্যক্রম শুরু করেছি এবং ইতোমধ্যে কয়েকটি কাজও সম্পন্ন করেছি। বিএনসিসি এখনো চালু হয়নি, তবে খুব শিগগিরই এটি চালু করা হবে। রোভার স্কাউটের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বিএনসিসি কার্যক্রমও সামনে এগিয়ে নেওয়া হবে।”

এদিকে দীর্ঘ ১৯ বছরেও বিএনসিসি কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় এবং নিয়মিত ফি নেওয়া অব্যাহত, শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির