1. admin@dainikswadesherkantha.com : ADMIN :
  2. jakirjnu65@gmail.com : Admin : Admin
  3. Sajuahmedbd97@Gmail.com : Saju Ahmed : Saju Ahmed
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
“বন্ধু মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৩য় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পিং সম্পন্ন” ঘোড়াঘাটে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকদের মুখে খুশির হাসি। বালিয়াকান্দিতে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন” বদলগাছীতে ভিপি সম্পত্তি নিয়ে সংঘর্ষ, ৫ দিন পর আহত মাসুদ রাজশাহী মেডিকেলে মৃত্যু জাবির ২১ হলে কম্পিউটার দিল জাকসু, ভবিষ্যতে ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা “দক্ষিণখানে সড়ক দুর্ঘটনায় আন-নাহদা মডেল মাদরাসার ৩ ছাত্রী আহত” ধনবাড়ীতে ” নগদ উদ্যোক্তা সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা -২০২৬” অনুষ্ঠিত” মানিকগঞ্জে ঘিওরে ড্রেজার লিমনের দাপটে হুমকি মূখে বাজার ও কৃষি জমি। বিশ্ব কবিমঞ্চের নানান আয়োজনে সৈয়দ মুজতবা আলীর ১২২তম জন্মবার্ষিকী পালন ঘোড়াঘাটে জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বৃদ্ধ আব্দুল কুদ্দুস প্রয়োজন সরকারের সাহায্য ও সহযোগিতা ।

“১৯ বছরেও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই বিএনসিসি কার্যক্রম প্রশ্নের মুখে নিয়মিত ফি আদায়”

  • আপডেট : বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৫২ জন দেখেছেন

“১৯ বছরেও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই বিএনসিসি কার্যক্রম প্রশ্নের মুখে নিয়মিত ফি আদায়”

রুবেল ইসলাম, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড় যুগ পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) কার্যক্রম এখনো চালু হয়নি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিয়মিতভাবে ‘বিএনসিসি ফি’ বাবদ টাকা নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনসিসির কার্যক্রম না থাকা সত্ত্বেও ভর্তি ফি-তে এ খাতের টাকা কেন রাখা হয়েছে তা পরিষ্কার নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এখনো ‘বিএনসিসি ফি’ তালিকায় বিদ্যমান।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৯টি ব্যাচ ভর্তি হয়েছে। প্রতি ব্যাচে গড়ে ১ হাজার শিক্ষার্থী ধরে হিসাব করলে, গত ১৯ বছরে বিএনসিসি ফি বাবদ আদায় করা হয়েছে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা। কিন্তু এর কোনো কার্যকর ব্যয় শিক্ষার্থীরা দেখতে পাননি।

ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী শওকত ইসলাম বলেন,
“ভর্তির সময় থেকে লক্ষ্য করছি বিভিন্ন খাতে ফি নেওয়া হয়, তার মধ্যে একটি হলো বিএনসিসি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনসিসির কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি। তাহলে এই টাকা কোথায় যাচ্ছে? যদি গড়ে প্রতি ব্যাচে ১ হাজার শিক্ষার্থী থেকে ৪০ টাকা নেওয়া হয়, তাহলে প্রায় ৮ লাখ টাকা আদায় হয়েছে—এই টাকার হিসাব কোথায়?”

অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. রাজু আহমেদ এ বিষয়ে বলেন,
“ইউজিসির নির্দেশনা অনুযায়ী বিএনসিসি ও স্কাউটের জন্য ফি নেওয়া হয়। টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টেই জমা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বহনেই খরচ করা হয়। আলাদা কোনো ফান্ড আলাদা করে রাখা হয় না।”

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান এ বিষয়ে ভিন্ন কথা জানান। তিনি বলেন,
“বিএনসিসি বাবদ আদায়কৃত ফান্ড এখন পর্যন্ত কোনো খাতে খরচ করা হয়নি। আমরা আসার পর থেকে রোভার স্কাউট কার্যক্রম শুরু করেছি এবং ইতোমধ্যে কয়েকটি কাজও সম্পন্ন করেছি। বিএনসিসি এখনো চালু হয়নি, তবে খুব শিগগিরই এটি চালু করা হবে। রোভার স্কাউটের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বিএনসিসি কার্যক্রমও সামনে এগিয়ে নেওয়া হবে।”

এদিকে দীর্ঘ ১৯ বছরেও বিএনসিসি কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় এবং নিয়মিত ফি নেওয়া অব্যাহত, শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ
আইটি সহযোগিতায়: আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির